রক্তাক্ত উর্দি, ভাঙা হেলমেট! পুলিশ পরিবারের আতঙ্ক
কুঞ্জলের সংযোজন, ‘পরদিনই দেখলাম সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বাবা–সহ সব দিল্লি পুলিশকেই ক্রিমিনাল বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার বাবাকে যারা মারল, তারাই সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করছে! এটা দেখে মনে হলো, আমরাও কোর্টে গিয়ে বাবার জন্য জাস্টিস চাইব। বাকি পুলিশ পরিবারেরও সহযোগিতা পেলাম।’ সীমা নামে এক মহিলার স্বামী অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব–ইনস্পেক্টর। সীমা বলেন, ‘৩৩ বছর পুলিশ ফোর্সে আছেন আমার স্বামী। যন্তর মন্তরে ডিউটি পড়ার পর থেকেই চিন্তায় ছিলাম। ২০ জুলাই ফোনে স্বামী বলছিলেন, ভিড় খুব বেশি। সংসদের দিকে বিশাল জনসমুদ্র এগোচ্ছে। সন্ধের দিকে খবর পেলাম আমার স্বামী হাসপাতালে। শুনলাম, ছাত্রদের প্রতিবাদে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ফুলের টব, জুতো, পাথর ছুড়েছে।’ সীমার দাবি, তাঁর স্বামীর হেলমেট টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল, ওই পাথর মাথায় লাগলে কী ঘটত, ভেবেই শিউরে উঠছেন পুলিশ–ঘরণী। লক্ষ্য সিং বিশতের বাবা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। চারটে গ্যালেন্টারি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন তিনি। লক্ষ্যের বক্তব্য, ‘আমার বাবা মাথায় চোট পেয়েছেন, চারটে সেলাই পড়েছে তাঁর। ছাত্র বিক্ষোভে মিশে কারা এ সব করল?’