ডিলিমিটেশন চায় না ঝাড়খণ্ড! ৩০ অগস্ট রাঁচিতে ঝড় তুলবে আদিবাসী মহল - 24 Ghanta Bangla News
Home

ডিলিমিটেশন চায় না ঝাড়খণ্ড! ৩০ অগস্ট রাঁচিতে ঝড় তুলবে আদিবাসী মহল

Spread the love

রাঁচি: জাতীয় স্তরে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation) প্রক্রিয়া নিয়ে ঝাড়খণ্ডে তীব্র বিরোধিতা শুরু হয়েছে। আদিবাসী সংগঠনগুলি দাবি করছে, এই প্রক্রিয়ায় তাদের সংরক্ষিত আসন কমে যাবে। এই…

রাঁচি: জাতীয় স্তরে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation) প্রক্রিয়া নিয়ে ঝাড়খণ্ডে তীব্র বিরোধিতা শুরু হয়েছে। আদিবাসী সংগঠনগুলি দাবি করছে, এই প্রক্রিয়ায় তাদের সংরক্ষিত আসন কমে যাবে। এই বিরোধিতায় ৩০ অগস্ট রাঁচিতে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। আদিবাসী নেতারা বলছেন, সংসদ ও ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় তাদের প্রাপ্য অংশ কমিয়ে দেওয়া হলে তারা তা মেনে নেবেন না।

আদিবাসী নেতৃত্বের অভিযোগ, ডিলিমিটেশনের পর জনসংখ্যার অনুপাতে আসন বণ্টন করা হলে ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। তাঁরা দাবি করেছেন, আদিবাসীদের জন্য আসনের সংখ্যা অনুপাতিক হারে বাড়ানো হোক। এই দাবিতে ৩০ অগস্ট রাঁচিতে বড় মিছিল ও সমাবেশের প্রস্তুতি চলছে।

আরও দেখুনঃ মিথ্যে মামলায় জড়াচ্ছে মোদী সরকার! এবার কপিলের দ্বারস্থ আরশোলারা

বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন একযোগে এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে বলে জানা গেছে।ঝাড়খণ্ডের এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল। এখানে বন্যপ্রাণী, খনিজ সম্পদ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবেও আদিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্থানীয় নেতারা বলছেন, ডিলিমিটেশন যদি আদিবাসীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে দেয়, তাহলে তা তাদের অস্তিত্বের ওপর আঘাত হবে।

তাঁরা চান, সরকার আদিবাসীদের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিক।এই আন্দোলনের সঙ্গে আরেকটি প্রেক্ষাপটও যুক্ত হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের এই এলাকায় বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত এনজিও-র সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। মোদী সরকারের এফসিআরএ (বিদেশি অবদান নিয়ন্ত্রণ আইন) কঠোর প্রয়োগের পর অনেক এনজিও-র কাজকর্ম ব্যাহত হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, এফসিআরএ-র কড়াকড়ির পর এনজিওগুলি অসন্তুষ্ট।

আরও দেখুনঃ ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ কেবল শুরু মাত্র’: হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বললেন সোনম

তার ওপর ডেটা সেন্টার প্রকল্প ও এখন ডিলিমিটেশন নিয়ে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ফলে রাজ্যে অস্থিরতা বাড়ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে অবশ্য বলা হয়েছে, ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে করা হবে। এতে কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নেই। তবে আদিবাসী সংগঠনগুলি মনে করে, জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের কারণে তাদের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব হতে পারে। তাই তাঁরা আগাম সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *