জাল ও ভুয়ো বার্থ সার্টিফিকেট খুঁজতে রাজ্য জুড়ে বেনজির অভিযান
মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, এই হানা ৪-৫ দিন ধরে চলতে পারে। আগামী তিন চার মাসের মধ্যে রাজ্যের তথ্যভাণ্ডার তৈরি হয়ে যাবে। তার পর শুরু হবে ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজ। অভিযানের কথা না জানালেও কলকাতা পুৃরসভা-সহ অন্যান্য পুরসভাগুলিকে বুধবার রাতেই জানিয়ে রাখা হয়েছিল যে, এদিন সকাল সাড়ে ন’টা থেকে যেন অফিস খোলা থাকে। মুখ্যসচিব বলেন, ‘সারা দেশে জন্ম-মৃত্যু সার্টিফিকেট ইস্যু করেন সরকারি অফিসাররা। কিন্তু বাংলায় অন্য নিয়ম। বাম আমলে ১৯৯৭-এ জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন আইন সংশোধন করে পঞ্চায়েত এলাকায় সার্টিফিকেট ইস্যু করার অধিকার দেওয়া হয় প্রধানকে। ২০০০-এ ওই আইন আরও এক বার সংশোধন করে পুর ও পুরনিগম এলাকায় সার্টিফিকেট দেওয়ার অধিকার পুরপ্রধান এবং মেয়রকে দেওয়া হয়।’ অভিযোগ, তার পর থেকেই জালিয়াতি শুরু হয়। কারণ, সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে যে দায়বদ্ধতা এবং শাস্তির সংস্থান রয়েছে, জনপ্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে সেই সংস্থান নেই। তবে বেআইনি কিছু প্রমাণিত হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় শাস্তির সংস্থান রয়েছে। এ বার থেকে বাংলায় সরকারি কর্মীরাই ইস্যু করবেন সার্টিফিকেট। কে কোথায় সার্টিফিকেট ইস্যু করার ক্ষমতা পাবেন, তার গাইডলাইন ঠিক করবে স্বাস্থ্য দপ্তর।