বমির অজুহাতে গাড়ি থামিয়ে হামলা, ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকে এনকাউন্টার পুলিশের, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু - 24 Ghanta Bangla News
Home

বমির অজুহাতে গাড়ি থামিয়ে হামলা, ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকে এনকাউন্টার পুলিশের, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু

Spread the love

পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হলো ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত যুবকের। রবিবার সন্ধ্যায় গুজরাটের আনন্দের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সুরেশ বিঠল পারমার (৩০)। চার বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। থানায় নিয়ে আসার সময়ে একটি ছুরি নিয়ে তিনি পুলিশ কর্মীদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৮ জুলাই। বাসাদ রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সামনে থেকে এক ঘুমন্ত শিশুকন্যাকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরের দিন রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হয় তার মৃতদেহ। ফরেনসিক পরীক্ষায় ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। তদন্তে নেমে স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করে পুলিশ। তখনই শিশুকন্যার সঙ্গে সুরেশকে ঘুরতে দেখা যায়। এর পরেই তল্লাশি চালিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় বোরসাদ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অভিযোগ, বোরসাদ থানায় নিয়ে আসার সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার ভান করেন সুরেশ। পুলিশকর্মীদের জানান, তাঁর গা গুলোচ্ছে, বমি করবেন। আমেদাবাদ রেঞ্জের ইন্সপেক্টর জেনারেল রাঘবেন্দ্র ভাটসা বলেন, ‘গাড়ি থামতেই একটা ছুরি বের করে পুলিশের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েন সুরেশ। তাঁকে ধরতে গেলে এক পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হন।’ এর পরে পুলিশ তাঁকে ভয় দেখাতে প্রথমে শূন্যে গুলি চালায়। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় সুরেশকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয় বলে দাবি পুলিশের।

ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন সুরেশ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্থানীয় শ্রীকৃষ্ণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সুরেশকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আনন্দের পুলিশ সুপার জিজি জসানি বলেন, ‘প্রথমে অভিযুক্তের পায়ে গুলি করা হয়েছিল। কিন্তু ওই অবস্থায় পুলিশ কর্মীদের দিকে তেড়ে এলে তাঁকে লক্ষ্য করে আরও চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়।’

তবে সুরেশের বিরুদ্ধে আগেও ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছে। ২০২২-তে আনন্দেই তাঁর বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা রুজু হয়েছিল। কিন্তু প্রমাণের অভাবে ২০২৫-এ সেই মামলা থেকে খালাস পান সুরেশ। পুলিশ জানিয়েছে, আনন্দে একাই থাকতেন অভিযুক্ত। কোনও স্থায়ী কাজকর্ম ছিল না। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বাবা-মা-সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গেও তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল না বলে দাবি পুলিশের।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *