বিধানসভার সই জাল মামলায় হাইকোর্টের রক্ষাকবচ, স্বস্তিতে অভিষেক
রাজ্য বিধানসভার সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek banerjee) বড় ধরনের স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলায় বিচারপতি…
রাজ্য বিধানসভার সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek banerjee) বড় ধরনের স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলায় বিচারপতি কৌশিক চন্দ তাঁর বিরুদ্ধে এক মাসের অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিয়েছেন। এর ফলে আপাতত এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না তদন্তকারী সংস্থা।
অভিযোগ, বিধানসভার স্পিকারের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে কারচুপি করা হয়েছিল। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করার বিষয়টি উল্লেখ ছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, চিঠিতে থাকা কিছু বিধায়কের সই আসল নয় বা তা নিয়ে অনিয়ম করা হয়েছে।
এই চিঠিতে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek banerjee) স্বাক্ষরও ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সূত্রেই তাঁর নামেও অভিযোগ দায়ের হয় এবং পরবর্তীতে পুলিশ একটি এফআইআর নথিভুক্ত করে। মামলার তদন্তভার পরে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
তদন্ত শুরু করার পর সিআইডি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek banerjee) একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে হাজিরার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেই সময় আদালত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল।
বর্তমানে মামলার মূল এফআইআর খারিজের আবেদন করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনের শুনানিতেই কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে নোটিস দিয়েছে। আদালত জানতে চেয়েছে, এই মামলায় রাজ্যের অবস্থান কী। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এবং তার আগে রাজ্য সরকারকে নিজেদের বক্তব্য স্পষ্ট করতে হবে।
আদালতের এই নির্দেশের ফলে আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek banerjee) । তাঁর আইনজীবীদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলা করা হয়েছে এবং এফআইআরে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। সেই কারণেই তাঁরা এফআইআর বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন