করোনা-মাস্কের মতো ড্রোনের তারেও বাসা বাঁধছে পাখিরা!
স্নেহাংশু অধিকারী
‘জেনো উড়বই, তুমি ঠোঁটে নিয়ো খড়কুটো…’
অ্যালবামের নাম ‘গাধা’। এই ছ’টা শব্দেই সেখানে আস্ত একখানা ইস্তেহার লিখেছিল চন্দ্রবিন্দু। সেখানে প্রেমিক পাখির মতো কথা কয়। ডানা ঝাপ্টে সঙ্গীকে যেন যৌথ যাপনের ডাক দেয়। জুটিতে মিলে বাসা তৈরির এক মরিয়া স্বপ্ন। চাইলে ফ্যান্টাসিও বলতে পারেন। কিংবা সংকল্পপত্র। কিন্তু পাখিরাও এত ভেবে ঘর বাঁধে নাকি! ওদের কাছে ‘নেস্ট’ মানে তো ‘নেসেসিটি’! আজকাল ফ্ল্যাটবাড়িতে ঘুলঘুলি থাকে না। বুলবুলি তাই একচিলতে ব্যালকনির সেফ জ়োন বেছে নেয়। তারপরে শুরু হয় সেই খড়কুটোর চিরন্তন আয়োজন।
শুধুই খড়কুটো? মোটেই না। পাখির সেই ভালো বাসায় কখনও সেঁধিয়ে যায় চশমার ভাঙা ডাঁটি, সাপের খোলস, তো কখনও সিগারেটের বাট। চকোলেটের র্যাপার থেকে শুরু করে চুলের পাতলা ক্লিপ, প্লাস্টিকের নকল গাছপালা, আরও অজস্র হাবিজাবি। কিন্তু তা বলে ফাইবার অপটিক কেবল? শুনতে অবাক লাগলেও, এমনটা কিন্তু হচ্ছে। যে ফাইবার অপটিক তার দিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ ‘গুপ্তঘাতক’ ড্রোন ওড়াচ্ছে রাশিয়া, ইউক্রেন; কাচের সুতোর মতো টুকরো টুকরো সেই তার ঠোঁটে তুলে এনেই রণক্ষেত্রে বাসা বানানো চলছে জোরকদমে।