কংসাবতীর জল বাড়ায় ভেসেছে সাঁকো, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুই জেলার
স্থানীয়রা জানান, এ দিন সকালেই সাঁকোটি ভেঙে গিয়েছে। ওই সাঁকোর উপরে ঝাড়গ্রাম জেলার মানিকপাড়া, খালশিউলি, সরডিহা–সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ নির্ভর করেন। এই সাঁকো পেরিয়ে স্কুল পড়ুয়ারাও যাতায়াত করে। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছে তারাও। নৌকোয় ভিড় বাড়ছে। অনেকেইম মোটরবাইকও তুলে দিচ্ছে নৌকোয়। এমনিতেই জল বেড়েছে কংসাবতীর। তার মধ্যে এ ভাবে ঝুঁকির যাতায়াত করতে আতঙ্কে রয়েছে এলাকার মানুষ। অনেকেই এ পাড় থেকে এ পাড়ে পড়চে যায়। কিন্তু এই অবস্থা থাকলে অভিভাবকেরাও চিন্তায় পড়েছেন। ছেলে–মেয়েদের কী ভাবে পড়তে পাঠাবেন তাঁরা। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, আমদই ও কঙ্কাবতী ঘাটে পাকা সেতু তৈরি হোক। তবে জানা গিয়েছে, রাজ্যে সরকার বদলের পরে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে পূর্ব মেদনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম এই তিন জেলাকে নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে আমদই এবং কঙ্কাবতী নদী ঘাটে পাকা সেতুর দাবি মুখ্যমন্ত্রীকে জানান রাজ্যের প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী তথা গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক রাজেশ মাহাতো।