চিনা জে-১০সিই-র খেলা শেষ! ভারতের ১৫০টি রাফাল নিয়ে শঙ্কিত পাক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

চিনা জে-১০সিই-র খেলা শেষ! ভারতের ১৫০টি রাফাল নিয়ে শঙ্কিত পাক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা

Spread the love

Rafale Deal: ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে ভারতের সম্ভাব্য চুক্তিটি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞরা ভারত কর্তৃক এই ১১৪টি বিমান কেনার…

Rafale

Rafale Deal: ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে ভারতের সম্ভাব্য চুক্তিটি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞরা ভারত কর্তৃক এই ১১৪টি বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত হলে তার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে পর্যালোচনা করছেন। তাঁরা উল্লেখ করছেন যে, ভারতের কাছে ইতিমধ্যেই ৩৬টি রাফাল বিমান রয়েছে এবং নতুন করে ১১৪টি বিমানের অর্ডার দেওয়া হলে তাদের বিমানবহরের আকার বেড়ে ১৫০টিতে দাঁড়াবে। তারা বিশ্বাস করে যে, এই অধিগ্রহণ ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিচালনগত সক্ষমতা জোরদার করবে। পাশাপাশি, এটি দীর্ঘমেয়াদে বিমানের প্রাপ্যতা এবং সেই সাথে লজিস্টিকস ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

ভারতের মোকাবিলায় পাকিস্তান বিমানবাহিনী ধারাবাহিকভাবে তাদের বিমানবহরে উন্নতমানের যুদ্ধবিমান যুক্ত করে চলেছে। পাশাপাশি, তারা পাইলটদের প্রশিক্ষণ, নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক কার্যক্রম, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আধুনিক এভিওনিক্স ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। মার্কিন এফ-১৬ (F-16) ও চিনা জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান সংগ্রহ এবং জেএফ-১৭ ব্লক ৩ (JF-17 Block III)-এর মতো বিমানের অন্তর্ভুক্তি এই কৌশলের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

রাফাল যুদ্ধবিমান নিয়ে পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞরা কেন উদ্বেগ প্রকাশ করছেন?

  • রাফাল যুদ্ধবিমানের একটি বড় বহর এই সমীকরণকে জটিল করে তুলবে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, রাফাল একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে অত্যাধুনিক সেন্সর, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা, দূরপাল্লার অস্ত্র এবং বহুমুখী ব্যবহারের নমনীয়তার সমন্বয় ঘটিয়েছে।
  • বিমানটির ‘স্পেকট্রা’ (SPECTRA) ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুটটি ইলেকট্রনিক সহায়তা, জ্যামিং এবং হুমকি-সংক্রান্ত সতর্কবার্তা প্রদানের মতো কার্যকারিতার মাধ্যমে এর টিকে থাকার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
  • এটি যে ‘মিটিওর’ বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ (BVR) ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে, তা বর্তমানে চালু থাকা আকাশ-থেকে-আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকায় বিভিন্ন কর্মক্ষম এলাকায় সেগুলোকে মোতায়েন করার ক্ষেত্রে ভারতের সুযোগ সীমিত ছিল।
  • তবে, ১৫০টি রাফাল বিমানের বিশাল বহর ভারতীয় বিমানবাহিনীকে একই সাথে একাধিক রণাঙ্গনে নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা প্রদান করে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *