প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রালের গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে গুলি, পাল্টা হাঁকে পুলিশও, শেষমেশ যা হলো…
অনেক ক্ষেত্রে দীনেশরা নিজেদের এলাকা ভাগ করে নিয়েছিল। অনেক সময়ে আবার এলাকা দখলের লড়াইয়ে অবিশ্রান্ত গুলি-বোমা চলত শহরে। একটা টার্গেট ছিল টালিগঞ্জ এবং তা ছাড়িয়ে গজিয়ে ওঠা আবাসন এলাকা। একই কারণে কসবা ছিল অন্যতম টার্গেট। রিজেন্ট পার্ক, চারু মার্কেট, যাদবপুরের এক বিস্তীর্ণ এলাকা হয়ে উঠেছিল দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য। এ ছাড়াও বড়বাজার-পোস্তা এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেছিল তারা।
রাজ জানিয়েছেন, এক সময়ে পরিস্থিতি এতটাই হাতের বাইরে চলে যায় যে, পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এ বার কিছু একটা করতেই হবে। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ হেঁটে টহল দিতে শুরু করল। রাতবিরেতে সিনিয়র অফিসারেরা এলাকায় ঘুরতে শুরু করেন। টার্গেটেড রেড শুরু হয়। সোর্স নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করা হয়। কয়েক জন দুষ্কৃতীর পিছনে রাজনৈতিক মদত থাকলেও, তখন পুলিশের কাজ করার স্বাধীনতা বেশি ছিল। তাই, পাল্টা অ্যাকশন নিতে সমস্যা হয়নি। দীনেশ ও চিকনা অনিলের এনকাউন্টার তারই ফলশ্রুতি।