অচলাবস্থায় পানিহাটি পুরসভা, বোর্ড মিটিংয়ে কি নয়া চেয়ারম্যান - 24 Ghanta Bangla News
Home

অচলাবস্থায় পানিহাটি পুরসভা, বোর্ড মিটিংয়ে কি নয়া চেয়ারম্যান

Spread the love

এই সময়, পানিহাটি: একের পর এক অভিযোগে মামলা দায়ের এবং গ্রেপ্তারির আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে কার্যত অচলাবস্থার মুখে পানিহাটি পুরসভা। পুরপ্রধান–সহ একাধিক কাউন্সিলার ও পুর পারিষদ সদস্য দীর্ঘদিন পুরসভায় অনুপস্থিত থাকায় নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১৭ জুলাই বোর্ড মিটিং ডেকেছেন উপ পুরপ্রধান সুভাষ চক্রবর্তী। ওই মিটিংয়ে পুরপ্রধান উপস্থিত না থাকলে নতুন পুরপ্রধান নির্বাচনের বিষয়টিও আলোচনা হতে পারে বলে পুরসভা সূত্রের খবর।

পানিহাটি পুরসভার মোট ৩৫ জন কাউন্সিলারের মধ্যে বাম ও কংগ্রেসের দু’জন ছাড়া বাকি ৩৩ জনই তৃণমূলের। অভিযোগ, গত জুন মাস থেকে একাধিক কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে মারধর ও তোলাবাজির অভিযোগে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জয়ন্ত দাস ওরফে গোবিন্দ এবং অবৈধ নির্মাণে সাহায্য, পুকুর ভরাটের অভিযোগে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শম্ভুনাথ চন্দ গ্রেপ্তার হয়েছেন। অন্যান্য কাউন্সিলারদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে গ্রেপ্তারির আশঙ্কা। ফলে অনেকেই পুরসভায় আসা বন্ধ কতে দিয়েছেন। ১০ জন কাউন্সিলার পদত্যাগও করেছেন।

সূত্রের দাবি, পুরপ্রধান সোমনাথ দে, পুর পারিষদ সদস্য তীর্থঙ্কর ঘোষ, তাপস দে-সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় পুরসভায় আসা বন্ধ রেখেছেন এবং আগাম জামিনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে উপপুরপ্রধান সহ ১৫ জন কাউন্সিলার পদত্যাগ না করে পুরসভার কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে শহরে আবর্জনা অপসারণ ও জলনিকাশির কাজ ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ। আগে প্রতিদিন কেএমডিএ-এর উদ্যোগে ১০-১২টি ডাম্পার একাধিকবার কলকাতার ধাপায় আবর্জনা বহন করলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। ২-৩ টি ডাম্পারে করে এখন আবর্জনা যাচ্ছে৷ ফলে শহরের প্রধান রাস্তা থেকে অলিগলিতে আবার আগের মতোই আবর্জনার পাহাড় জমছে। নিকাশির কাজও প্রায় থমকে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় জল জমে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা।

উপ পুরপ্রধান সুভাষ চক্রবর্তী বলেন, ‘চেয়ারম্যান ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে অনুপস্থিত থাকায় প্রশাসনিক সমস্যা তৈরি হয়েছে। ১৭ জুলাই বোর্ড মিটিং ডাকা হয়েছে। পুরপ্রধান উপস্থিত না হলে পুর আইনের ৫০-বি ধারা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।’ যদিও নতুন পুরপ্রধান নির্বাচনের বিষয়টিকে বিজেপি গুরুত্ব না দিলেও সজাগ দৃষ্টি রেখেছে৷ স্থানীয় বিজেপি নেতা কৌশিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘অচলাবস্থা তৈরি করে তৃণমূল বোঝাতে চাইছে ওরা না থাকলে পানিহাটি অচল। এতে ওদের উপর মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়ছে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *