ক্লোজ় রেঞ্জেই দু’টি গুলি, বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর তদন্তে CID
ক্লাস সিক্সের ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনে অন্যতম অভিযুক্তের পুলিশি হেফাজতে গুলিতে প্রাণ হারানোর ঘটনার তদন্তভার বৃহস্পতিবার দেওয়া হয়েছে সিআইডি–কে। বিধি অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি যে থানার মামলায় অভিযুক্ত, সেই থানাকে (এ ক্ষেত্রে বারুইপুর থানা) হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার দেওয়া যায় না— হয় সিআইডি, না–হয় অন্য কোনও থানাকে দিতে হয়। প্রশাসনের তরফে সেই মতোই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ঘটনা যখন ঘটেছে, সেই সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকল পুলিশকর্মী ও অফিসারের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৩ নম্বর ধারায় মামলা (পূর্বতন ব্যবস্থা অর্থাৎ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ নম্বর ধারা), অর্থাৎ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত চালানোই নিয়ম। এর পাশাপাশি, নিয়ম মাফিক, শুরু হয়েছে বিচারবিভাগীয় তদন্তও। তা ছাড়া, যে পুলিশকর্মী বা অফিসারের (এ ক্ষেত্রে ক্যানিং থানার সাব–ইনস্পেক্টর রনি সরকার) সার্ভিস পিস্তল অভিযুক্ত কেড়ে নিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল, তাঁর ব্যাখ্যা চাওয়ার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এবং ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না–হলে তাঁকে সাসপেন্ড করাটাই নিয়ম। আবার আইন অনুযায়ী, যত দিন না মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে, তত দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশকর্মী ও অফিসারদের কাউকে কোনও রকম সম্মান বা পুরস্কার দেওয়া যাবে না।