Annapurna Yojona: ‘এতদিন ভুল বুঝে আসছিলাম…’, অন্নপূর্ণার বিষয় উঠতেই যা বললেন আলেকা বেগম, রেনু খাতুনরা | Keshpur Women Receive 3,000 Aid, Credit New Government and Criticise Previous TMC Regime
অন্নপূর্ণা যোজনার প্রাপকরাImage Credit: TV9 Bangla
মেদিনীপুর: কেশপুরের ছুতারগেড়িয়া ১১ নম্বর বুথ এলাকা। একেবারেই সংখ্যালঘু অধ্য়ুষিত এলাকা। সেই এলাকায় আজ খুশির হাওয়া। গোটা অঞ্চলের মহিলারা বিলি করছেন মিষ্টি। কারণ তাঁদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টেই ঢুকেছে তিন হাজার টাকা। ওই টাকা তাঁদের নিত্য প্রয়োজনে আসবে। কেউ ওষুধ কেনেন, কেউ ছেলেমেয়ের টিউশন ফিজ্ দেন। তাঁরা প্রত্যেকেই আজ ‘স্বনির্ভর’। কিন্তু তাঁরাই বলছেন, এতদিন তাঁরা ভুল বুঝে আসছিলেন। তাঁদের ভুল বোঝানো হয়েছিল। পূর্বতন মমতা-সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা।
মিলেছে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা! কেশপুরে মিষ্টি মুখ করালেন মুসলিম মহিলারা।সকাল থেকেই কেশপুরের ছুতারগেড়িয়া এলাকায় উৎসবের মেজাজ। চলছে মিষ্টি বিলি। বাড়ির পুরুষরাও সেই আনন্দে সামিল। নেপথ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার। পূর্বতন সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে মিলত মাসে দেড় হাজার টাকা। কিন্তু অভিযোগ, সেই সময়েই তাঁদের এলাকায় গিয়ে বোঝানো হয়েছিল, কোনওভাবে যাতে বিজেপিকে ভোট না দেন তাঁরা, বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁরা বঞ্চিত হবে। বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ভোটে জয়ের পরেই প্রত্যেক যথাযথ প্রাপকরা অন্নপূর্ণার টাকা পাবেন। সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে গ্রামের মহিলাদের এমন উদ্যোগ। এই এলাকায় ১০০ শতাংশই মুসলিম ভোটার।
আলেকা বেগম বলে এক প্রাপক বললেন, “আমাদের এলাকা পুরোটাই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। আমাদের তৃণমূল ভুল বুঝিয়েছিল। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপ করেছিলাম। অ্যাকাউন্টে টাকাও ঢুকে গিয়েছে। প্রত্যেকের। আমাদের সাবলম্বী করছে সরকার। আমরা এতদিন ভুল বুঝে আসছিলাম।” রেনু খাতুন নামে আরেক প্রাপক বললেন, “এটা টাকাটা আমাদের খুবই প্রয়োজন ছিল। সেটা পেয়েছি। তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী অনেক ধন্যবাদ। আমাদের ভুল বুঝিয়ে রেখেছিলেন আগের মুখ্যমন্ত্রী। আমাদের আবেদন বাকিরাও যাতে পান।”