বড়মা মন্দিরের জমি–টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ
নৈহাটি দোগাছিয়া এলাকায় বড়মা ট্রাস্টি বোর্ড একটি জমি কিনেছিল। অভিযোগ, সেখানে বড় ধরনের আর্থিক তছরুপ হয়েছে। তাপস বলেন, ‘২৩ কাঠা ওই জমিতে একটি বৃদ্ধাশ্রম এবং চিকিৎসা পরিষেবা কেন্দ্র তৈরি করার পরিকল্পনা হয়েছিল। তবে ওই জমি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে চেক মারফত কেনা হয়েছিল।’ মন্দিরের এসি বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রেও নিয়ম মানা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে তাঁর অভিযোগ, নৈহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায় বরাবরই প্রভাব খাটাতেন। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই সব কিছু চলতো, বাকিদের কিছু করার থাকত না। এমনকি মন্দিরে জমা পড়া ভক্তদের দেওয়া শাড়ি কোথায় যেত সেটা জানা যায় না বলেই দাবি করেন তিনি।