মাটির মূর্তির ‘জীবন্ত’ সংস্করণ, ঘূর্ণির পুতুল পেল GI স্বীকৃতি, কী বলছেন শিল্পীরা? Ei Samay
সামনে মাটির ঝুড়িতে সাজানো আনাজ। গ্রামের এক বধূ সেই সব্জি বিক্রি করছেন। পরনে হাতার কাছে কল্কা আঁকা ব্লাউজ, সবুজ রঙের ছাপা শাড়ি। পাশেই কয়েকজন বৈষ্ণব সাধু নাম সংকীর্তন করছেন। প্রত্যেকের মাথায় রসকলি। গায়ে উড়ছে গেরুয়া কাপড়, পরনে সাদা ধুতি। তার ঠিক পাশেই এক কৃষক কাঁধে লাঙল নিয়ে হেঁটে চলেছেন। পেশীবহুল মেঠো শরীর। কাঁধে গামছা ফেলা। মাথায় বেতের টুপি। ভাবছেন, এ কেমন জায়গা? কোথায় মেলে এমন দৃশ্য? অনেকেরই বাড়ির শো-কেসে পরপর সাজানো এই পুতুলের সারি দেখতে পাবেন। নামে পুতুল, দেখতে অবিকল মানুষের মতো। এতটাই নিপুন, এতটাই নিখুঁত সেই শিল্পকর্ম। এআই প্রযুক্তিতে ‘ন্যানো ব্যানানা’ টুলের মাধ্যমে মিনিয়েচার তৈরির কয়েক যুগ আগে থেকেই বাংলার মাটির গন্ধমাখা এই শিল্পকর্ম পৌঁছে গিয়েছিল ঘরে ঘরে, পড়ার টেবিলে বা শো-কেসের মাথায়। ‘ভানু’র মতো অনেক বিক্রেতা মেলায় মেলায় গিয়ে গাইতেন, ‘পুতুল নেবে গো পুতুল…। ’ কৃষ্ণনগরের সেই ঘূর্ণি মাটির পুতুল পেল GI স্বীকৃতি।