Ex CM Mamata Banerjee: কালীঘাট তৃণমূলের হাতিয়ার মমতার সই, তাতেই কমিশনে বেকায়দায় পড়বে ঋতব্রত শিবির? | EX CM Mamata Banerjee’s signature—a key weapon for the Kalighat Trinamool camp
কলকাতা: ঘাসফুলে জোরদার আসল-নকলের লড়াই। ঋতব্রত শিবিরকে বেকায়দায় ফেলতে কালীঘাট তৃণমূলের অস্ত্র মমতার সই। ৬ জুলাই কমিশনে নথি জমার আগে কনফিডেন্ট মমতা-শিবির। মমতা শিবিরের নেতারা তোপের পর তোপ দাগছেন বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে। তাঁদের সাফ কথা, ঋতব্রত শিবিরের মনোনয়নেও তো নেত্রীর সই! বেইমানরা এখন নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রতীকে, মমতার সই-অনুমোদনেই তাঁরা বিধায়ক হয়েছেন। সেই সই এবার বড় অস্ত্র হতে চলেছে কালীঘাট তৃণমূলের।
কালীঘাট তৃণমূলের নেতারা বলছেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাজি ইন্ডোরের সম্মেলন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করা হয়েছিল। সেখানে শুধু বাংলা নয়, মেঘালয়-সহ অন্যান্য জায়গা থেকে প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। সেখানেই সর্বভারতীয় কমিটি তৈরি হয়। এই সমস্ত নথি দিয়েই কমিশনের কাছে কালীঘাট তৃণমূল তাঁদেরই ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করতে চলেছেন বলে খবর। পাশাপাশি যাঁরা বিদ্রোহীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা যে দল থেকে বহিষ্কৃত সেই তথ্যও কমিশনের কাছে তোলা হতে পারে বলে খবর।
কুণাল আবার সুর চড়াচ্ছেন বিজেপির বিরুদ্ধেই। তিনি বলছেন, “নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে বিজেপি এটা করাচ্ছে। ওরা মমতাকে ভয় পায়। সে কারণেই যেন তেন প্রকারে বিরক্ত করতে চাইছে। বিজেপির ওই খেলা অনেক রাজ্যেই চলছে। কিন্তু কর্মী-সমর্থক সবাই আছে নেত্রীর সঙ্গে।”
অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “আমরা আমাদের সব তথ্য কমিশনের কাছে জমা দিয়েছিলাম। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন ওনারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যোগাযোগ করবেন। এখন আগামী সোমবারের মধ্যে আমাদের বক্তব্য লিখিতভাবে জানাতে বলছেন। আমরা আমাদের বক্তব্য পাঠাবো।”