ক্রস ভোটিং নিয়ে অস্বস্তি বিদ্রোহী শিবিরেই, ‘শক্তপোক্ত বিরোধী কই’, কটাক্ষ শুভেন্দুর
এই বিলের উপরে বিতর্ক শেষ হতেই বিরোধীপক্ষের সচেতক আখরুজ্জমান ভোটাভুটির দাবি করেন। যে হেতু ঋতব্রত শিবির ভোটাভুটি চেয়েছে, এটাই প্রত্যাশিত ছিল যে, সভায় উপস্থিত বিদ্রোহী শিবিরের সব বিধায়ক বিলের বিপক্ষে ভোট দেবেন। কিন্তু অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু ভোটাভুটির ফল ঘোষণা করলে দেখা যায়, বিলের পক্ষে বিজেপির ১৭৬ জন বিধায়ক ভোট দিয়েছেন, মোট ৪১ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, ২০ জন ভোটদানে বিরত থেকেছেন। শোভনদেবের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবির ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কালীঘাট শিবিরের বক্তব্য, ‘পাবলিক অর্ডার বিলের’ ভোটাভুটির সময়ে তাঁদের ১১ জন বিধায়ক সভাকক্ষে ছিলেন। সবাই ভোটদানে বিরত থেকেছেন। বিদ্রোহী তৃণমূলের পাশাপাশি কংগ্রেস, সিপিএম, আইএসএফ এই বিলের বিরোধিতা করেছে। এখানেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে কালীঘাটের ১১ জন বিধায়ক সভাকক্ষে থাকা সত্ত্বেও ভোটদানে ২০ জন বিরত থাকলেন কী ভাবে? এটা তখনই সম্ভব, যদি বিদ্রোহী শিবিরে একদল বিধায়ক ভোটদানে অংশ না–নিয়ে থাকেন। বিধানসভার প্রেস কর্নারে কালীঘাট–তৃণমূল শিবিরে থাকা বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘যাঁরা বলছিলেন, আমাদের সঙ্গে ১০ জন রয়েছেন, এ দিন দেখা গেল সেই সংখ্যা ২০। প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের রক্ত যাঁদের গায়ে রয়েছে, তাঁরা এই পরিস্থিতির সঙ্গে মেলাতে পারছেন না। তা না হলে এই সংখ্যা ২০ হলো কী করে?’ এই নিয়ে ঋতব্রত–আখরুজ্জমান কোনও মন্তব্য করেননি। তবে বিদ্রোহী শিবিরের প্রথম সারির এক মুখের বক্তব্য, ‘আমরা জোর করে কাউকে ধরে রাখছি না। কারও যদি মনে হয়, তিনি কালীঘাটের পাশে থাকবেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় কিন্তু দোদুল্যমান থাকবেন না।’