তারাতলার দুর্ঘটনায় দেহ ক্ষতবিক্ষত, আংটি দেখে ঘরের লোককে চিনল পরিবার
অবশেষে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পরিবারের কাছে খবর আসে যে সুমন মারা গিয়েছেন। দুঃসংবাদ পৌঁছতেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী ও সন্তানেরা। স্ত্রী শিখা কর্মকার বলেন, বুধবার ওঁর কন্ট্রাক্টর অন্য লোক দিয়ে বাড়িতে খবর পাঠিয়েছিল। আমি রাতে গিয়েছিলাম, সারা রাত স্পটে ছিলাম। ভোর রাতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি যখন গিয়েছিলাম তখন ওঁকে দেখেনি। বাকিদের দেহ মিলেছিল, আমার স্বামীর খোঁজ পাইনি। পরে বৃহস্পতিবার ওরা বলল দেহ পাওয়া গিয়েছে।