PoK-র ‘পাপ’ ঢাকতে যুদ্ধের হুমকি! পাকিস্তানের ‘মনগড়া’ দাবি উড়িয়ে কড়া জবাব ভারতের - 24 Ghanta Bangla News
Home

PoK-র ‘পাপ’ ঢাকতে যুদ্ধের হুমকি! পাকিস্তানের ‘মনগড়া’ দাবি উড়িয়ে কড়া জবাব ভারতের

Spread the love

সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করল ভারত। মঙ্গলবার দুপুরে বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিজেদের চরম ব্যর্থতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে বিশ্বের নজর ঘোরাতেই এই ধরনের ‘ভিত্তিহীন দাবি’ করছে ইসলামাবাদ। এর আগে গত রবিবার পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সিন্ধুর জল তাঁদের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। যদি সেই নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে, তা হলে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা ছাড়া কোনও বিকল্প থাকবে না পাকিস্তানের সামনে।

ভারতের কড়া অবস্থান

এ দিন বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষে রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানি নেতৃত্বকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য আমরা শুনেছি। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর বিষয় থেকে নজর ঘোরাতেই এই মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। আমরা এই ধরনের মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবিকে চূড়ান্ত অবজ্ঞার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছি।’

পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে সরব নয়াদিল্লি

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) বর্তমানে যে অশান্তি চলছে, তা নিয়েও এ দিন সরব হন রণধীর জয়সওয়াল। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক বঞ্চনা, মৌলিক অধিকার হরণ এবং প্রশাসনিক নিপীড়ন চালাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরস্ত্র ও সাধারণ নাগরিকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে পাক প্রশাসন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা, আটকে দেওয়া হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জরুরি ওষুধপত্র। নির্মম অত্যাচারে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনের প্রাণ গিয়েছে। এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রণধীর জয়সওয়াল।

নয়াদিল্লির সাফ কথা, নিজেদের এই অভ্যন্তরীণ সঙ্কট ঢাকতেই পাকিস্তান লাগাতার মিথ্যাচারের আশ্রয় নিচ্ছে। এই বিষয়ে এ দিন আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এই লাগাতার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার জন্য এ বার পাকিস্তানের জবাবদিহি চাইবে আন্তর্জাতিক মহল।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *