উত্তরাখণ্ডে উত্তেজনা! গুরুদ্বারা দখল করে ২ জনকে পনবন্দি করল নিহঙ্গ শিখরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

উত্তরাখণ্ডে উত্তেজনা! গুরুদ্বারা দখল করে ২ জনকে পনবন্দি করল নিহঙ্গ শিখরা

Spread the love

দেরাদুন: উত্তরাখণ্ডের চামোলি ও রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। (Uttarakhand)হেমকুণ্ড সাহিব থেকে ফেরা কয়েকজন নিহঙ্গ শিখ যাত্রীর সঙ্গে স্থানীয়দের ছোটখাটো বিবাদকে কেন্দ্র করে কর্নপ্রয়াগে…

দেরাদুন: উত্তরাখণ্ডের চামোলি ও রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। (Uttarakhand)হেমকুণ্ড সাহিব থেকে ফেরা কয়েকজন নিহঙ্গ শিখ যাত্রীর সঙ্গে স্থানীয়দের ছোটখাটো বিবাদকে কেন্দ্র করে কর্নপ্রয়াগে সংঘর্ষের পর এখন নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। নাগরাসু গুরুদ্বারা সাহিব দখল করে একজন সেবাদারকে বন্দি করে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে একদল নিহঙ্গ শিখের বিরুদ্ধে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইটিবিপি ও পিএসি-র টিম মোতায়েন করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত গত ১৬ জুন কার্নপ্রয়াগে। হেমকুণ্ড সাহিব থেকে ফেরা পাঞ্জাবের মোহালির কয়েকজন নিহঙ্গ শিখ যাত্রীর সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের পার্কিং নিয়ে তর্ক বাঁধে। অভিযোগ, এই বিবাদ দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং নিহঙ্গরা তলোয়ার ব্যবহার করেন। এতে চারজন স্থানীয় ব্যক্তি আহত হন।

আরও দেখুনঃ শত্রু শিবিরের ঘুম কাড়তে প্রস্তুত ভারতের নিজস্ব অস্ত্র ‘ধনুষ’

পুলিশ চারজন নিহঙ্গকে গ্রেফতারও করে। এই ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ চলতে থাকে।স্থানীয় সূত্র জানায়, কর্নপ্রয়াগের এই ঘটনার পর নিহঙ্গরা গুরুদ্বারা ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিযোগ, গুরুদ্বারা কর্তৃপক্ষ তাঁদের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি। এই ক্ষোভ থেকেই শনিবার সন্ধ্যায় রুদ্রপ্রয়াগের নাগরাসু গুরুদ্বারা সাহিবে প্রবেশ করে পরিস্থিতি জটিল করে তোলেন কয়েকজন নিহঙ্গ।

তাঁরা গুরুদ্বারার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুজনকে বন্দি করেন বলে অভিযোগ। পরে একজনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও একজন সেবাদার এখনও আটকে রয়েছেন।দু’দফা আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিশাল মিশ্র ও এসপি নিহারিকা তোমরের সঙ্গে কথা বলেও সমাধান হয়নি। বর্তমানে গুরুদ্বারা এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। শান্তি বজায় রাখতে আইটিবিপি ও প্রাদেশিক সশস্ত্র কনস্টেবুলারি (পিএসি)-র টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

চারধাম যাত্রার মৌসুমে এই ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। তীর্থযাত্রীরা এখানে আসেন, আমরা তাঁদের সেবা করি। কিন্তু এভাবে সংঘর্ষ ও পণবন্দি পরিস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

অন্যদিকে, শিখ সম্প্রদায়ের কিছু প্রতিনিধি বলছেন, কর্নপ্রয়াগের ঘটনায় তাঁদের লোকজন আক্রান্ত হয়েছেন এবং স্থানীয় প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না।উত্তরাখণ্ডের হোম সেক্রেটারি শৈলেশ বাগোলি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসন শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *