তৃণমূলের আলাদা ফ্রন্ট নয়, কেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা? | TMC Political Drama: Why Did Rebel TMC MPs Join the Nationalist Citizens Party of India Instead of Forming a New Front? Explained
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা।Image Credit: TV9 বাংলা
নয়া দিল্লি: দল ভাঙলই! তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আর আলাদা শিবির বা লোকসভায় আলাদা ফ্রন্ট হিসাবে নয়, বরং অন্য একটি দলের সঙ্গে মিশে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদরা। ওই দলের নাম ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া। এই দলেরই সদস্য এখন কাকলী ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায় থেকে শুরু করে দেব, সায়নী ঘোষরা। এই দল সমর্থন করবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে। তবে প্রশ্ন হল, কেন তৃণমূল কংগ্রেসের আলাদা শিবির না গড়ে, অন্য দলের সঙ্গে মিশে গেলেন বিদ্রোহী সাংসদরা?
এক কথায় এই প্রশ্নের উত্তর হল, আইনি জট এড়াতেই আলাদা দলে মিশে যাওয়ার পদক্ষেপ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে বিগত কয়েকদিন কার্যত ঘোল খাইয়েই আজ, রবিবার (১৪ জুন) ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় মিশে গেলেন তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ২০ জন সাংসদ।
লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২৮ জন সাংসদ ছিল। তার মধ্যে ২০ জন সাংসদ বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন। তবে আইন বলছে, একটি দলের অন্দরে দুটি ফ্রন্ট বা শিবির হতে পারে না। দলত্যাগ বিরোধী আইনে তখন তাঁরা ফেঁসে যাবেন। আইনের এই মারপ্যাঁচ থেকে বাঁচতেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা ঝুঁকি না নিয়ে অন্য দলে মিশে গেলেন। কার্যত এটিকে বিদ্রোহী সাংসদদের মাস্টারস্ট্রোক বলা যায়।
বিস্তারিত আসছে…