Supreme Court: স্ত্রীর ঘরকন্নার কাজকে স্বীকৃতি সুপ্রিম কোর্টে! মাসে কত টাকা পাওয়ার যোগ্য, জানাল তাও | Supreme Court Recognizes Homemakers as Nation Builders, Values Domestic Work at RS 30,000 Per Month - 24 Ghanta Bangla News
Home

Supreme Court: স্ত্রীর ঘরকন্নার কাজকে স্বীকৃতি সুপ্রিম কোর্টে! মাসে কত টাকা পাওয়ার যোগ্য, জানাল তাও | Supreme Court Recognizes Homemakers as Nation Builders, Values Domestic Work at RS 30,000 Per Month

Spread the love

নয়া দিল্লি: যুগ আধুনিক। কিন্তু, কিছু বদ্ধ ধ্যানধারণায় এখনও জং পড়ে রয়েছে। এই যেমন সমাজ গৃহবধূদের এখনও মূল্য দিতে শেখেনি। তাঁদের কাজকে কাজ বলে মনেই করা হয় না। দিন-রাত পরিবারের জন্য খেটে চলেছেন, অথচ শুনতে হচ্ছে, সারাদিন তো ঘরেই বসে থাকে, কাজ আর কী! হাজার হাজার গৃহবধূদের প্রতিদিনই এমন কথা শুনতে হয়। এবার সেই গৃহবধূদের (Homemaker) পরিশ্রম, সংসারে অবদানকে বিশেষ স্বীকৃতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি একটি মামলায় দেশের শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, গৃহবধূরা শুধু হোমমেকার (Supreme Court on Homemaker) নন, বরং নেশন বিল্ডার অর্থাৎ একটা জাতি গড়ে তোলার পিছনে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। একইসঙ্গে গৃহবধূদের শ্রমের মূল্য বুঝিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

গৃহবধূরা নেশন বিল্ডার

পঞ্জাবের গৃহবধূর পথ দুর্ঘটনা সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিং-এর বেঞ্চে। ওই মামলার শুনানিতে গৃহবধূদের কাজের আর্থিক মূল্যও ‘নির্ধারণ’ করেছেন তাঁরা। দুই বিচারপতির বেঞ্চের মতে, একজন গৃহবধূ সংসারের জন্য যা অবদান রাখেন, তাতে তাঁর মাসিক পারিশ্রমিক আনুমানিক ৩০ হাজার টাকার সমতুল। একইসঙ্গে প্রত্যেক গৃহবধূকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে। কারণ একটি সমাজ, একটি জাতি গড়ে তোলার জন্য গৃহবধূদের ভূমিকার কোনও তুলনা হয় না।

কোন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ?

পঞ্জাবের একটি পথ দুর্ঘটনা সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন গৃহবধূদের অবদানকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ২০০১ সালের নভেম্বর মাসে রেশমা নামে এক গৃহবধূর পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। এরপর তাঁর স্বামী ও তিন সন্তান ক্ষতিপূরণ দাবি করে মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেইম ট্রাইব্যুনালে যায়। ২০০৩ সালে ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিপূরণ দিলেও দীর্ঘ আইনি জটিলতার কারণে মামলাটি বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে, অর্থাৎ দুর্ঘটনার ২৩ বছর পর, পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট এই মামলার শুনানি শেষ করে।

ক্ষতিপূরণ মামলায় বিলম্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণের মামলা সাধারণত এক বছরের মধ্যেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধ , সকল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিরা যেন এই ধরনের মামলাগুলোর দ্রুত পর্যবেক্ষণ করে যথাযথ নির্দেশ জারি করে। এই ধরনের বিষয়গুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যাতে নিষ্পত্তি হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *