প্রশাসনের নজর এড়িয়েই বেআইনি কাজ, নদীর চর থেকে মাটি চুরি বন্ধের আশ্বাস বিধায়কের
হলদিয়ার সুতাহাটা ব্লকের এরিয়াখালি, রামনগর প্রভৃতি এলাকায় হুগলি নদীর চরে দেদার মাটি কাটার ফলে নদীর ভাঙন মারাত্মক আকার নিয়েছে। অতীতে নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু এলাকা। নদীগর্ভে চলে গিয়েছে চাষের জমি। গ্রামবাসীর অভিযোগ পেয়ে বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী সম্প্রতি এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বিধায়কের কাছে স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূলের কিছু নেতা এবং স্থানীয় কুকড়াহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মদতে ইটভাটা মালিকরা এই কাজ করছেন। মৃন্ময় জানা, অখিলেশ মণ্ডল, সেখ রবিউল প্রমুখ গ্রামবাসীর দাবি, ইটভাটা মালিকরা তৃণমূলের নেতাদের তোলা দিয়ে অবৈধভাবে নদীর চরের মাটি চুরি করছেন। হুগলি নদীর তীরবর্তী এলাকায় ১০ থেকে ১৫টি ইটভাটা রয়েছে। বেআইনি ভাবে অনেক ভাটা মালিক নদীর চর থেকে মাটি কেটে নিচ্ছেন। একটি ইটভাটার কর্মী বলেন, ‘নদীর চর থেকে অবাধে মাটি কাটা হয়। আমরা ভাটার কর্মী মাত্র। এ ব্যাপারে যা বলার মালিক বলবেন।’ এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল সদস্য থেকে তৃণমূল শাসিত কুকড়াহাটি গ্রাম পঞ্চায়েত সব জেনেও চুপ। প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনেদুপুরে চুরি হচ্ছে মাটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ইটভাটার ম্যানেজারের অবশ্য দাবি, ‘আমরা প্রশাসনিক অনুমতি নিয়েই মাটি কাটছি। মাটি কাটা বন্ধ করা হলে ইটভাটা বন্ধ হয়ে যাবে। বহু মানুষ কর্মহীন হবেন।’