হাল্যান্ড থেকে কুবো, বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’ হতে পারে কাদের দল? রইল তালিকা - 24 Ghanta Bangla News
Home

হাল্যান্ড থেকে কুবো, বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’ হতে পারে কাদের দল? রইল তালিকা

Spread the love

২০২৬ সালের FIFA বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি নেই আর এক সপ্তাহও। শেষ ল্যাপে এসে জোর চর্চা চলছে তারকাখচিত দলগুলিকে নিয়ে। আর্জেন্তিনা, ফ্রান্স, স্পেন বা পর্তুগালের মতো দলগুলির নাম রয়েছে সেই তালিকায়। তবে চর্চা চলছে ‘ডার্ক হর্স’দের নিয়ে। খাতায়-কলমে বড় দল না হলেও টুর্নামেন্টে বড় চমক দিতে পারে তারা। কোন কোন দল রয়েছে সেই তালিকায়? জেনে নিন বিশদে।

সেনেগাল

Sadio Mane in Senegal Jersey
সাদিও মানে

আফ্রিকা কাপ নেশন্সে চ্যাম্পিয়ন হলেও ট্রফি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল আফ্রিকার এই টিমের থেকে। তাই বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোই পাখির চোখ তাদের। বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপে পড়েছে সেনেগাল। তাদের গ্রুপে রয়েছে ফ্রান্স, নরওয়ে ও ইরাক। তবে সাদিও মানে, ইদ্রিসা গুয়ে, ক্যালিদো কুলিবালি, এদুয়ার্দ মেন্ডির মতো অভিজ্ঞ ফুটবলাররা আছেন দলে। নিকোলাস জ্যাকসন, লামিনে কামারা, এল হাজি মালিক দিয়ুফের মতো তরুণ ফুটবলাররাও স্কোয়াডে রয়েছেন।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেও হারতে হয়েছিল। তবে এই বিশ্বকাপে নজর কাড়তে পারে সেনেগাল। বাছাইপর্বেও অপরাজিত ছিল তারা। শক্তির বিচারে সেনেগাল অন্যতম ব্যালান্সড স্কোয়াড এই বিশ্বকাপে।

নরওয়ে

Erling Haaland in  Norway Jersey
আর্লিং হাল্যান্ড

নরওয়ে শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯৮ সালে। সেই দলের প্লেয়ার ছিলেন বর্তমানে নরওয়ের হেড কোচ স্টালে সোলবাক্কেন। ২৮ বছর পরে ফের বিশ্বকাপে ফিরছে নরওয়ে। তবে এ বার যথেষ্ট শক্তিশালী দল তাদের। প্রধান ভরসা তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হাল্যান্ড। এ ছাড়াও আছেন মার্টিন ওডেগার্ড, আলেকজ়ান্ডার সোরলথ, জুলিয়ান রায়ারসন, অস্কার ববদের মতো তারকারা।

দলের সবচেয়ে বড় শক্তি আক্রমণভাগ। সোরলথ এবং হাল্যান্ড দু’জনেই হেডে অত্যন্ত দক্ষ। তবে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ‘গ্রুপ অব ডেথ’। ফ্রান্স, সেনেগাল এবং ইরাকের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছে নরওয়ে। তবে বিশ্বকাপে ডার্ক হর্স হয়ে উঠতে পারে এই দল।

জাপান

Takefusa Kubo in Japan Jersey
তাকেফুসা কুবো

২০২২ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুরন্ত পারফর্ম করেছিল জাপান। জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়েছিল তারা। তবে এই বিশ্বকাপে জায়ান্ট কিলার হয়ে উঠতে পারে জাপান। ৩-৪-৩ ফর্মেশনে খেলে, উইং-ব্যাকদের গতিকে কাজে লাগিয়ে বিপক্ষকে চাপে ফেলে তারা। এ বার জাপান দলেও রয়েছে একাধিক প্রতিভাবান ফুটবলার। তাকেফুসা কুবো, জুনিয়া ইতোরা রয়েছেন দলে।

তবে ব্রাইটনের তারকা উইঙ্গার কাওরু মিতোমার অনুপস্থিতি ভোগাতে পারে। বিশ্বকাপে নেই তিনি। এশিয়ান বাছাইপর্বে শীর্ষে ছিল জাপান। তবে এখনও পর্যন্ত তারা বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ জিততে পারেনি। এ বার সেই খরা কাটিয়ে জাপান নজর কাড়তে পারে কি না, সে দিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।

ইকুয়েডর

Moises Caicedo in Equador Jersey
মোইসেস কাইসেদো

সেবাস্তিয়ান বেকাসেসের অধীনে বাছাইপর্বে ইকুয়েডর দারুণ ছন্দে ছিল। ১৯ ম্যাচে সাতটি জয়, ১১টি ড্র এবং মাত্র একটা ম্যাচে হেরেছিল তারা। দক্ষিণ আমেরিকার বাছাইপর্বে তারা আর্জেন্টিনার পরে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে। এ বার ইকুয়েডরের দলে আছেন চেলসির মোইসেস কাইসেদো, PSG-র উইলিয়ান পাচো এবং আর্সেনালের পিয়েরো হেনকাপি।

তবে গোল করার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এনার ভ্যালেন্সিয়ার উপর অনেকটাই নির্ভরশীল দলটি। তাই ডিফেন্সই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ২০০৬ সালের পরে আর কখনও বিশ্বকাপের নকআউটে জায়গা পায়নি ইকুয়েডর। এ বার বড় অঘটন ঘটাতেই পারে তারা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *