কর্মরত শিক্ষকদের গৃহশিক্ষকতায় ‘না’, নির্দেশিকা স্কুলশিক্ষা দপ্তরের, অন্যথায় পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও
পেশায় প্রাইভেট টিউটররা অবশ্য এই নির্দেশিকাতেও আশ্বস্ত হচ্ছেন না। ‘টিউটর্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া’–র সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, ‘বাম আমল থেকে শুরু করে কতবার যে এ ধরনের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, তার কোনও হিসেব নেই। ডিআইদের নির্দেশে প্রধান শিক্ষকের কাছে মুচলেকা দিয়ে টিচাররা জানান, তাঁরা প্রাইভেট টিউশন করেন না। এতেই ফাইল বন্ধ হয়ে যেত। এ বার নতুন বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশটা। কিন্তু আমরা চাই, অভিযোগ পেলে ডিআইরা একেবারে তৃণমূল স্তরে (প্রয়োজনে শিক্ষক–শিক্ষিকাদের বাড়িতে পৌঁছে) গিয়ে নজরদারি চালান। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিন।’ উল্টোদিকে স্কুলে কর্মরত টিচারদের দাবি — বিদ্যালয়ে যথাযথ পরিকাঠামো, বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত টিচার এবং পড়ুয়া–শিক্ষক অনুপাত ঠিক থাকলে প্রাইভেট টিউশনের উপরে নির্ভর করতেই হবে না। তাই নতুন সরকার আগে স্কুলগুলির মানোন্নয়নে নজর দিক।