Lakshmir Bhandar Scam: 'আমি তো জানতামই না...', পাঁচ বছর ধরে তৃণমূলের 'লক্ষ্মী ছেলে' গোলামের অ্য়াকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা | Shocking, Male TMC Worker and Private Tutor getting money of Lakshmir Bhandar scheme in Malda for years - 24 Ghanta Bangla News
Home

Lakshmir Bhandar Scam: ‘আমি তো জানতামই না…’, পাঁচ বছর ধরে তৃণমূলের ‘লক্ষ্মী ছেলে’ গোলামের অ্য়াকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা | Shocking, Male TMC Worker and Private Tutor getting money of Lakshmir Bhandar scheme in Malda for years

Spread the love

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকত গোলাম মুর্তাজার অ্য়াকাউন্টেImage Credit: TV9 Bangla

মালদহ: রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) স্কিম নিয়ে যে একটা বড় দুর্নীতি হয়েছে, সে কথা বারবার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভুয়ো উপভোক্তার তালিকা বের করলে প্রায় ৩০ লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারে। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে হদিশ মিলছে ‘লক্ষ্মী ছেলে’ দের। মহিলাদের জন্য বরাদ্দ সরকারি স্কিমের টাকা ঢুকেছে একাধিক পুরুষের অ্যাকাউন্টে। এবার এমনই এক ব্যক্তির খোঁজ মিলল মালদহে। তবে অভিযোগ শুনে ওই ব্যক্তি হেসে বললেন, ‘আপনারা বলতে তবেই জানলাম। আমি তো জানতামই না।’

প্রাইভেট টিউটর, তৃণমূল কর্মীর অ্য়াকাউন্টে ঢুকত টাকা!

মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার সোনাকুল গ্রামের বাসিন্দা নূন নাহার। ২০২০ সালে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করে ছিলেন তিনি। কিন্তু অভিযোগ, আজ পর্যন্ত নিজের অ্যাকাউন্টে এক টাকাও পাননি। অথচ নথি ও ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বলছে, তাঁর নামে বরাদ্দ হওয়া সরকারি অর্থ ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নিয়মিত জমা পড়েছে গ্রামেরই এক প্রাইভেট টিউটর তথা তৃণমূল কর্মী গোলাম মর্তুজার অ্যাকাউন্টে। টাকা যে ঢুকেছে, তা স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তবে তিনি জানতেন না বলেও দাবি করেছেন। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, নূন নাহারের নামে টাকা এলেও, তা ঢুকত গোলাম মুর্তাজার অ্য়াকাউন্টে।

প্রশ্ন উঠেছে, টানা পাঁচ বছর ধরে অন্যের টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও তিনি কীভাবে কিছুই জানতে পারলেন না? এর পেছনে রয়েছে আরও বড় কোনও রহস্য? অন্যদিকে নূর নাহারের দাবি, তিনি বারবার ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে গিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও মেলেনি কোনও সমাধান। ফলে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তিনি।

হরিশ্চন্দ্রপুরেই প্রায় ৩৫০ ভুয়ো উপভোক্তা, দাবি বিজেপির

এই অভিযোগ অস্বীকার করেননি তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। তাঁর দাবি, বিডিও খতিয়ে না দেখাতেই এইভাবে দুর্নীতি হয়েছে। এর সঙ্গে সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে বিজেপি নেতা ওমপ্রকাশ ঘোষের দাবি, একটা বা দুটো নয়, এমন সাড়ে তিন’শ অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে এই বিধানসভা এলাকায়। তিনি বলেন, “খুব তাড়াতাড়ি সেই তালিকা সামনে আসতে চলেছে, দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *