বৌকে নিয়ে ভাগলবা! টিট ফর ট্যাট রঞ্জনের, উৎসবের আবহ গ্রামে
সরেজমিনে খবরের সত্যতা যাচাই করতে রঞ্জন তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখেন ঘটনাটি সত্যি। বাড়িতে স্ত্রী পম্পিকে ফেলে রেখে চলে গিয়েছেন পঙ্কজ। বৌ পালানোর দুঃখ ও স্বামী পালানোর দুঃখ ভাগাভাগি করে নেন রঞ্জন ও পম্পি। সেলুলয়েডের মতো দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। দু’জনেরই মনের মধ্যে যেন গুনগুন করতে থাকে ‘আর কতকাল একা থাকব?’ মোটামুটি যখন তাঁরা নিশ্চিত হয়ে যান যে, আর ফিরে আসবেন না পঙ্কজ-টুম্পা, তখনই তাঁরা স্থির করেন, ‘না, আর বিলম্ব নয়। অনেক হয়েছে আর নয়।’ বুধবার বিকেলে পঙ্কজের বাড়িতে পুরোনো সংসারে ইতি টেনে পাততাড়ি গুটিয়ে পম্পি চলে আসেন রঞ্জনের বাড়ি। তবে আসার সময়ে নিজের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে আসতে ভোলেননি। এরপর গ্রামের লোকেদের সাহায্যে চার হাত এক হয়ে যায়। হোক না অন্যের বৌ-এর সঙ্গে বিয়ে, তাতে বাজনা থেকে শুরু করে প্রীতিভোজ সব কিছুরই আয়োজন ছিল আর পাঁচটা বিয়ের মতোই। মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, ভাজা, এবং কাতল মাছের ঝোল। পাত পেড়ে খেলেন প্রায় তিনশো জন। এক বৌ হারিয়ে নতুন বৌ পেয়ে রঞ্জন বলেন, ‘আমার স্ত্রীকে পঙ্কজ বিয়ে করেছেন। তাই আমিও পঙ্কজের বৌকে বিয়ে করলাম।