ডেটিং অ্যাপে আলাপ থেকে ধর্ষণে অভিযুক্ত, মুক্তি সেনা অফিসারের
মালার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮–র মে মাসে টিন্ডার অ্যাপে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারিণীর পরিচয় হয়। অভিযোগ ছিল, সেনা অফিসার নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং পরে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে অভিযোগকারিণী শারীরিক সম্পর্কে রাজি হন বলে দাবি। যদিও শুনানিতে আদালতে উঠে আসে, ২০১৮–র সেপ্টেম্বরেই অভিযোগকারিণী জানতে পারেন, অভিযুক্ত ইতিমধ্যে বিবাহিত। তা সত্ত্বেও সম্পর্ক চলতে থাকে। তথ্য অনুযায়ী, তার পরেও দু’জনে একসঙ্গে মুম্বই, বেঙ্গালুরু–সহ বিভিন্ন শহরে ভ্রমণ করেছেন, সহবাস করেছেন। এর মধ্যেই অভিযুক্তের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এই সম্পর্ক অবশ্য বজায় থাকে। যদিও ২০২১–এ সম্পর্কে দূরত্ব বাড়তেই তরুণী হাওড়ার ডোমজুড় থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন।