Annapurna Scheme in Bengal: ‘সরকারি কর্মীদের স্ত্রী-রা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কেন পাবে?’ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে আশার আলো দেখছেন খেটে খাওয়া মহিলারা | ‘Why Should Wives of Government Employees Get Lakshmir Bhandar?’ Working Women Welcome Annapurna Scheme
বাঁকুড়া: অন্নপূর্ণা যোজনায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তুলনায় মিলবে দ্বিগুণ টাকা । কিন্তু তার আগে সকলকেই করতে হবে নতুন করে আবেদন। অনলাইন ও অফলাইন, দুই পদ্ধতিতেই করা যাবে আবেদন। নতুন এই ঘোষণায় খুশি সাধারণ মহিলারা। তাঁদের দাবি অনেক উচ্চবিত্ত এমনকি চাকুরিজীবী পরিবারের মহিলারাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়ে আসছিলেন। যদিও সেই টাকা তাঁদের কাছে তেমন প্রয়োজনীয় নয়। নতুন করে আবেদন করা হলে এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তথ্য যাচাই করে অন্নপূর্ণা যোজনা দিলে উপকৃত হবেন প্রকৃত প্রাপকেরা।
প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র ভারতীয় মহিলারাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অর্থ পাবেন। তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো নাম বাদ যেতে পারে। যদিও রাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আশা বাংলার প্রায় ২ কোটি মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। সিএএ-তে আবেদনকারীরাও অন্নপূর্ণা অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা পাবেন। তবে সরকারি, আধা সরকারি চাকরি করলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাওয়া যাবে না। ভাতার সুবিধা পাবেন না আয়কর দাতারাও। সাফ বলছে সরকার।
বাঁকুড়ার এক মহিলা বলছেন, “আমাদের স্বামীদের তো আয় বেশি নয়। এখন ৩ হাজার টাকা পেলে পরিবারের খুবই সুবিধা হবে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার কাজে লাগবে।” পাশে দাঁড়িয়ে আর এক মহিলা বললেন, “১৫০০ টাকায় তো আমাদের কিছুই হতো না। এখন নতুন সরকার তিন হাজার টাকা দিলে স্বামীর পাশে দাঁড়াতে পারব।” আর একজন বলছেন, “আমরা লোকের দুয়ারে খেটে খাই। এটা তো আমাদের প্রাপ্য। অন্যদিকে কারও স্বামী চাকরি করছে, বড় ব্যবসা আছে তাও পাচ্ছে। সেটা তো পাওয়া উচিৎ নয়।” অন্যদিকে আর এক মহিলা সরকারি কর্মীদের স্ত্রীদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া নিয়ে সরব হলেন। বললেন, “যাঁরা যোগ্য শুধু তাঁরা পাক। এক একটা বাড়িতে তো চারটে করে সরকারি কর্মচারী রয়েছে তাঁদের স্ত্রীরাও পাচ্ছে। অনেকের তো অনেক সম্পত্তি আছে, আবার বিপিএল কার্ডও আছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও পাচ্ছে। এগুলো ছাঁটাই হওয়া দরকার।”