যশোহর রোড সম্প্রসারণ নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা, মন্ত্রী বললেন, ‘সময়ের অপেক্ষা’
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অতীতে যশোহর রোডের বারাসত থেকে বনগাঁ পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য ৪৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। ছাড়পত্র দিয়েছিল আদালতও। সেই কাজ শুরু প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। কিন্তু রাস্তার দু’ধারে থাকা প্রাচীন গাছ কাটা নিয়ে পরিবেশ কর্মীদের আপত্তি, জমিজট এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ আটকে থেকেছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তরফে বার বার বলা হয়েছে, ওয়ার্ক অর্ডার পেলেই কাজ শুরু করা হবে। কিন্তু এখনও সেই লালফিতের ফাঁস খোলেনি।
বর্তমানে এয়ারপোর্ট থেকে মধ্যমগ্রাম, বারাসত, অশোকনগর, হাবরা হয়ে বনগাঁ পর্যন্ত যশোর রোডের একাধিক বাঁক ও সংকীর্ণ অংশে যান চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, অনেক জায়গায় রাস্তা সরু হওয়ায় নিয়মিত যানজট হয়। বিশেষ করে অশোকনগর ও হাবরা এলাকায় রেলগেটের কারণে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গাড়িগুলিকে। হাবরার প্রবেশমুখে পর পর দু’টি রেলগেট থাকায় সমস্যায় পড়েন সাধারণ যাত্রী থেকে পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা। এই যানজট কমাতে অতীতে উড়ালপুল নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হলেও, তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে শহরমুখী যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমশ বেড়েছে। যানচালকদের অভিযোগ, যে রাস্তা পেরোতে আগে ২৫ মিনিট সময় লাগত, বর্তমানে সেখানে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষদের অভিযোগ, রাস্তার বেহাল দশার কারণে অনেক সময়ে হাসপাতালে আসা রোগীর গাড়ি বা অ্যাম্বুল্যান্সও আটকে পড়ে। এ সব কারণেই যশোহর রোড সম্প্রসারণ জরুরি বলে মত স্থানীয়দের।