এফআইআর করতে ১৪ ঘণ্টা দেরি কেন, প্রশ্ন সিবিআইয়ের
আবার, সিবিআই তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে, নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা দ্বিতীয় বার ময়না–তদন্ত করার সুযোগ যাতে থাকে, তার জন্য মৃতদেহ সংরক্ষণ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু টালা থানায় নির্যাতিতার পরিবার অভিযোগ দায়ের করার সময়ে সেখানে উপস্থিত পুলিশকর্মীরা পরিবারের সেই অনুরোধে কর্ণপাত করেননি বলে সিবিআই জানিয়েছে। উল্টে তাঁরা অসত্য বলেন, তাঁরা জানান, মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে। অথচ ঘটনা হলো, সেই সময়ে নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের ছাড়াই দেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং নির্যাতিতার দেহের আগে লাইনে তিন জনের দেহ থাকা সত্ত্বেও নিয়ম বহির্ভূত ভাবে তরুণী চিকিৎসক–ছাত্রীর দেহটি সকলের আগে দাহ করে দেওয়া হয়। রিপোর্টের একেবারে শেষে সিবিআইয়ের পর্যবেক্ষণ— হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, যাঁদের মধ্যে অধ্যক্ষও রয়েছেন, তাঁদের তরফে কয়েক ঘণ্টা দেরির ঘটনা অস্বাভাবিক ও ব্যাখ্যাতীত। তবে তথ্যপ্রমাণ নষ্টের কোনও প্রমাণ তারা পায়নি বলে সিবিআই ওই রিপোর্টে জানিয়েছে।