শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন, পরিযায়ীর দেহ বাড়ির দাওয়ায় ফেলে রেখে পালাল অ্যাম্বুল্যান্স
পরিবার জানিয়েছে, দিল্লির একটি প্লাস্টিকের কারখানায় কাজ করতেন উজ্জ্বল। রুকসানা বলেন, ‘আমার স্বামীর মৃতদেহ হঠাৎ করে বাড়ির সামনে কে বা কারা কফিনবন্দি অবস্থায় ফেলে পালিয়ে গেল, কিছুই জানতে পারলাম না। গত বুধবার থেকে ওঁর মোবাইল সুইচড অফ ছিল। তার আগে বলেছিল, কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে টাকাপয়সা নিয়ে গোলমাল চলছে। আমাদের ধারণা, ওঁকে খুন করা হয়েছে।’ শহিদুল বলছেন, ‘মাঝরাতে যখন ভাইয়ের দেহ ফেলে রেখে অ্যাম্বুল্যান্স পালিয়ে যায়, তখন আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। অন্ধকারে গাড়ির নম্বর ঠিকমতো বুঝতে পারিনি।’ তাঁর অভিযোগ, কারখানা থেকে সেই টাকা আদায়ের জন্যই ১০ দিন আগে দিল্লি গিয়েছিলেন উজ্জ্বল। হয়তো টাকা না দিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে তাঁর ভাইকে। রবিবার মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে পুলিশ তদন্তে এলে গ্রামবাসীরা দিল্লির কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।