২৭০ কোটির ‘প্রাসাদ’ কম পড়ল? পাশেই আরও ৫ ফ্ল্যাট কিনলেন সোনম-আনন্দ - 24 Ghanta Bangla News
Home

২৭০ কোটির ‘প্রাসাদ’ কম পড়ল? পাশেই আরও ৫ ফ্ল্যাট কিনলেন সোনম-আনন্দ

Spread the love

বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর (Sonam Kapoor) এবং তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজার (Anand Ahuja)-র বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে বরাবরই চর্চা চলে। মুম্বইয়ের পর লন্ডনেও ধীরে ধীরে নিজেদের ‘ড্রিম লাইফ’ গড়ে তুলছেন এই তারকা দম্পতি। তবে এ বার তাঁদের নতুন সম্পত্তি কেনা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

জানা গিয়েছে, লন্ডনের অভিজাত নটিং হিল এলাকায় প্রায় ২৭০ কোটি টাকার একটি বিশাল ম্যানশন কেনেন সোনম-আনন্দ। তিন বছর আগে প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে পুরনো ওই প্রাসাদোপম বাড়িটি কেনা হয়েছিল। তারপর থেকেই সেখানে সংস্কারের কাজ চলছে।

তবে শুধু ওই ম্যানসনই নয়, সম্প্রতি সেই বাড়ির কাছেই আরও পাঁচটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তাঁরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ডেলি মেল’-এর দাবি, প্রায় ৪ মিলিয়ন পাউন্ড, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫১ কোটি টাকার এই ফ্ল্যাটগুলি নাকি মূলত গৃহকর্মী ও কর্মীদের থাকার জন্য ব্যবহার করা হবে। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়েছে।

ওই ফ্ল্যাটগুলি একটি পুরনো আবাসনে অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধীরে ধীরে পুরো বিল্ডিংয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন আনন্দ আহুজারা। কেউ কেউ আবার আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে নিজেদের মূল ম্যানশনের সংস্কারের সুবিধার জন্যই আশপাশের সম্পত্তিগুলি কেনা হচ্ছে।

যদিও এই বিতর্ক নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি সোনম বা আনন্দ। তবে তাঁদের প্রতিনিধির তরফে দাবি করা হয়েছে, ফ্ল্যাটগুলি শুধুই বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কেনা হয়েছে। সোনম ব্যক্তিগত ভাবে এই বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, নটিং হিল লন্ডনের অন্যতম অভিজাত এবং ব্যয়বহুল এলাকা। কেনসিংটন গার্ডেনসের খুব কাছেই অবস্থিত এই অঞ্চল। এর আগে আনন্দ আহুজার বাবা হরিশ আহুজার ওই এলাকায় একাধিক বিলাসবহুল সম্পত্তি কেনেন বলে খবর প্রকাশ্যে আসে।

বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে লন্ডনেই বেশি সময় কাটান সোনম ও আনন্দ। মুম্বই, দিল্লি এবং লন্ডন— তিন শহর মিলিয়েই তাঁদের জীবন এখন ভাগ হয়ে গিয়েছে। তবে নতুন এই সম্পত্তি বিতর্ক যে আন্তর্জাতিক স্তরেও তাঁদের নিয়ে চর্চা চলছে, তা বলাই যায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *