দল ও পেশা আলাদা, প্রবল সমালোচনাতেও অনড় বিকাশ, প্রয়োজনে মমতার হয়ে দাঁড়াতে রাজি আইনজীবী
গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে দুর্নীতি ও আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির মামলায় দেবরাজ ও অদিতির হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করেন বিকাশ। ওই মামলায় আপাতত ওই দম্পতিকে স্বস্তিও এনে দিয়েছেন তিনি। তারপরেই দলীয় নেতা ও সমর্থকদের সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে বর্ষীয়ান আইনজীবীকে। সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য শতরূপ ঘোষ শুক্রবার বলেন, ‘আমরা চাই অদিতি–দেবরাজের মতো চোররা জেলের ভিতরেই থাকুন। বিকাশদা কেন এই মামলা লড়েছেন সেটা তিনি বলতে পারবেন। সব সময়ে চেয়েছি বিকাশদা মামলা জিতুন, কিন্তু এই মামলাটা বিকাশদা হেরে গেলেই আমি খুশি হবো।’ বিকাশের এই ভূমিকা নিয়ে মুখ খুলেছেন বামপন্থী বলে পরিচয় দেওয়া পরিচালক–অভিনেতা সৌরভ পালোধী থেকে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্ররা। চূড়ান্ত হতাশা আর ক্ষোভ উগরে দিয়ে সৌরভ লিখেছেন, ‘যে পার্টির চুরি আর দুর্নীতির জন্য আপনার পার্টির হাজার হাজার কর্মী খুন হলো তাঁদের চুরি যে চুরি নয়, এটা প্রমাণ করতে আপনি কোর্টে লড়বেন? এটাকে আবার আপনার ‘কাজ’ বলে ন্যারেটিভ সেট করবেন। এ কেমন কমরেডশিপ।’ শ্রীলেখা মিত্র দীর্ঘ একটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘কাউকে দেখে কমিউনিস্ট রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হইনি। ব্যক্তির থেকে আদর্শ সর্বদা উপরে রেখেছি।’ সবশেষে লিখেছেন, ‘বিকাশবাবুকে গাল পাড়ার আগে একটু অপেক্ষা করে দেখুন কী হয়।’ আবার বাম নেতা–আইনজীবী তথা বিকাশের অনুজ সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁরই সমর্থনে একটি পোস্ট করেছিলেন ফেসবুকে। যদিও সেই পোস্ট বর্তমানে ডিলিটেড।