এবার IRGC র টার্গেট ট্রাম্প কন্যা! হত্যার চেষ্টায় গ্রেফতার ইরাকি নাগরিক - 24 Ghanta Bangla News
Home

এবার IRGC র টার্গেট ট্রাম্প কন্যা! হত্যার চেষ্টায় গ্রেফতার ইরাকি নাগরিক

Spread the love

irgc-target-ivanka-trump-iraqi-national-arrested

ওয়াশিংটন:মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবার আবারও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের নিশানায় (Ivanka Trump)। এবার লক্ষ্যবস্তু তাঁর মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-সংশ্লিষ্ট এক ইরাকি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ইভানকাকে হত্যা করে ট্রাম্প পরিবারকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা আবারও পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা এবং পুরনো শত্রুতার গভীরতা সামনে এনেছে।

– Advertisement –

নিউইয়র্ক পোস্টসহ একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল-সাদি। বয়স ৩২ বছর। তিনি আইআরজিসি-প্রশিক্ষিত এবং ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে বাগদাদে যে ড্রোন হামলায় ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি নিহত হন, তার প্রতিশোধ নিতেই এই ষড়যন্ত্র। আল-সাদি সোলাইমানিকে নিজের মেন্টর হিসেবে দেখতেন।

আরও দেখুনঃ স্কুল শিক্ষায় মেগা সংস্কার: কমছে ব্যাগের ওজন, বাড়ির কাজেও রাশ টানল রাজ্য

তাঁর কথায়, “ট্রাম্প যেভাবে আমাদের ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, আমরা ট্রাম্পের ঘর পুড়িয়ে দেব।”তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। আল-সাদির কাছ থেকে ইভানকা ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবনের একটি বিস্তারিত নকশা (ব্লুপ্রিন্ট) উদ্ধার হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দিয়ে লিখেছিলেন, “আমেরিকানদের দেখো, এই ছবি দেখ। তোমাদের প্রাসাদ কিংবা সিক্রেট সার্ভিস কেউই তোমাদের রক্ষা করতে পারবে না।”

এই পোস্টে ফ্লোরিডার সেই এলাকার ম্যাপও শেয়ার করা হয়েছিল, যেখানে ইভানকা ও তাঁর স্বামী জারেদ কুশনারের ২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বাড়ি রয়েছে।ইভানকা ট্রাম্প বর্তমানে ফ্লোরিডায় স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে তুলনামূলক নিরিবিলি জীবনযাপন করছেন। রাজনীতি থেকে অনেকটা দূরে থাকলেও তিনি এখনও ট্রাম্প পরিবারের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ধরনের হুমকি তাঁর পরিবারের জন্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখন ইভানকা ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে।

এই ঘটনা শুধু একজন ব্যক্তির পাগলামি নয়, বরং বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সোলাইমানির মৃত্যুর পর থেকেই ইরান ও তার সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ পুষে রেখেছে। আল-সাদি কাতায়েব হিজবুল্লাহসহ বিভিন্ন ইরান-সমর্থিত গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া, বোমা হামলার পরিকল্পনা এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে।

ম্যানহাটানের ফেডারেল আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি সন্ত্রাসবাদী অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ইরাকি সূত্র এবং সাবেক কূটনীতিক এন্তিফাদ কানবার জানিয়েছেন, আল-সাদি খোলাখুলি বলতেন যে ইভানকাকে হত্যা করলে ট্রাম্প পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে। এই ধরনের চিন্তাধারা ইরানের প্রক্সি যোদ্ধাদের মধ্যে বেশ প্রচলিত। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন পুরো ষড়যন্ত্রের নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

এই ঘটনায় রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য অ্যানা পলিনা লুনা বলেছেন, “এটা ভয়ংকর। আমাদের দেশের প্রেসিডেন্টের পরিবারকে এভাবে লক্ষ্যবস্তু করা অগ্রহণীয়।” অন্যদিকে, ট্রাম্প পরিবার এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যে আরও কঠোর করা হয়েছে তা নিশ্চিত।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *