হলুদ থেকে কেশর, রূপচর্চার দুনিয়ায় কোন ৫ ভেষজ ২০২৬-এ সবচেয়ে বেশি ট্রেন্ডিং?
ট্রেন্ডে ১০-১২ ধাপের স্কিন কেয়ার। একগাদা সিরাম, ময়েশ্চারাইজার মাখছে মানুষ। কিন্তু এই একের পর এক পাঁচ রকমের অ্যাসিড বেসড সিরাম মেখে আদৌ কি কোনও লাভ হচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের মতে, এত রকমের পণ্য ব্যবহার করলে ত্বকের সুরক্ষাকবচ বা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর নষ্ট হয়ে যায়। তাই ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে জেন জ়ি ঝুঁকছে মিনিমালিজ়িমের দিকে। আর বেছে নিচ্ছে প্রাকৃতিক উপাদান। যেগুলো এক সময়ে মা-ঠাকুমারা ব্যবহার করতেন। ওই উপাদানগুলোই নাকি এ বছর সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয়েছে গুগলে। কোন সেই পণ্যগুলো জানেন?
হলুদ

হলুদের জনপ্রিয়তা এখন বিশ্বজুড়ে। তার কারণ হলো এর মধ্যে থাকা কারকিউমিন যৌগ। হলুদ শুধু ত্বককে উজ্জ্বল করে না, ত্বকের প্রদাহও কমায়। অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে এই মশলায়। হলুদ মাখলে ত্বকের পিএইচ স্তরের ব্যালান্সও নষ্ট হয় না। তবে স্পর্শকাতর ত্বকে হলুদ না মাখাই ভালো।
নিম

ব্রণের মোক্ষম দাওয়াই নিম। গ্রীষ্মকালে এই ভেষজের চাহিদা বাড়ে। এটি র্যাশ, চুলকানি, ঘামাচির মতো সমস্যা দূর করে। যে কোনও ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ঠেকাতে নিম একাই একশো। এই উপাদান ত্বক থেকে তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত নিম জলে স্নান করলে ত্বক পরিষ্কার থাকে।
চন্দন

আজকাল নামীদামি পণ্যেও চন্দন ব্যবহার হচ্ছে। এর সুগন্ধ ও গুণাগুণ ত্বকের জন্য ভীষণ উপযোগী। আয়ুর্বেদে যুগ যুগ ধরে চন্দন ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি ব্রণ দূর করে এবং ত্বকের জেল্লা বাড়িয়ে তোলে। ত্বকও শীতল রাখে চন্দন।
অ্যালোভেরা

হাতের কাছে যখন কোনও প্রসাধনী পাবেন না, তখন অ্যালোভেরা মেখে নিতে পারেন। ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে অ্যালোভেরার জুড়ি মেলা ভার। অ্যালোভেরা মাখলে ত্বকে শীতল এফেক্ট পাওয়া যায়। সানবার্ন, র্যাশ, লালচে ভাব, চুলকানি, জ্বালা ভাব দূর করতে অ্যালোভেরা দারুণ উপযোগী। এ ছাড়া ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় রাখে এই ভেষজটি।
কেশর

বিশ্বের প্রায় সবচেয়ে দামি মশলার তালিকায় নাম কেশরের। এটি যেমন খাবারের স্বাদ-রূপ বাড়িয়ে তোলে, তেমনই ত্বকের জেল্লাও বাড়িয়ে দেয়। কেশর হাইপারপিগমেন্টেশন বা কালচে ছোপ দূর সবচেয়ে বেশি উপযোগী। স্কিন-ব্রাইটেনিং এজেন্ট রয়েছে এই মশলায়। কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক পেতে কেশর মাখতে পারেন।