খসে পড়ে চাঙড়, নেই পর্যাপ্ত ক্লাসরুম, ১২ জন শিক্ষক নিয়ে চলছে ক্লাস
তার পরে দামোদর দিয়ে গড়িয়ে গিয়েছে অনেক জল। আড়ে–বহরে বেড়েছে স্কুল। বরাকর, কুলটি, মানবেড়িয়া, রামনগর, কল্যাণেশ্বরী–সহ বিস্তীর্ণ এলাকার পড়ুয়ারা এই স্কুলে পড়ে। দ্বিভাষিক এই স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যা হাজারেরও বেশি। শিক্ষা দপ্তর ৩২ জন শিক্ষক–শিক্ষিকার পদ অনুমোদন করলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা মাত্র ১২! বাংলা, ইংরাজি, হিন্দি, অঙ্ক, জীবনবিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, ইতিহাসের কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা নেই। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা দীপিকা রায় বলছেন, ‘যাঁরা রয়েছেন, তাঁরাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। শুন্য পদে নিয়োগের আবেদন করেও ফলে মেলেনি।’