মনের জোর আর ইচ্ছাশক্তিই সম্বল, প্রতিবন্ধকতা উড়িয়ে ওদের চোখে নতুন স্বপ্ন
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্তর বক্তব্য, ‘আমাদের এই এলাকায় বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীদের বাবা দিনমজুরির কাজ করেন, কেউ বা আবার রিক্সা চালান, ভ্যান টানেন, বালিঘাটে কাজ করেন। অনেকে আবার রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, বিড়ি শ্রমিক, সাধারণ শ্রমিক। আমাদের লড়াইটাও সেই জায়গা থেকেই করতে হয়।’ যোগ করেন, ‘এ বার ৩৪ জন ছাত্রছাত্রী প্রথম বিভাগে ও ১৩ জন ছাত্রছাত্রী দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেছে। রিমঝিম, তুফান ও প্রীতম আমাদের গর্ব। ওদের আরও ভালো হোক, এই কামনা করি।’