IPL 2026 : প্লে-অফের আগে খাদের কিনারায় শ্রেয়সরা, একনজরে ফিরে দেখা আইপিএলের দীর্ঘতম হারের ধারা! | Revisiting the Teams with 11 Successive Defeats as Punjab Struggles in Dharamshala
Revisiting the Teams with 11 Successive Defeats as Punjab Struggles in Dharamshala.Image Credit: Getty Images, PTI
কলকাতা : আইপিএল মানেই চ্যাম্পিয়নশিপ, বড় রান, জমজমাতি লড়াই। কিন্তু প্রদীপের তলাতেও আছে অন্ধকার। এই আইপিএলের ইতিহাসে এমন বেশ কিছু দল আছে, যারা পরপর ম্যাচ হেরে লজ্জার রেকর্ড গড়েছে। এই তালিকায় সদ্যনিযুক্ত হওয়া নাম পাঞ্জাব কিংস, যারা টানা ৫ ম্যাচ হেরে এই আইপিএলে বেশ পিছিয়ে পড়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, পাঞ্জাব ছাড়াও আর কোন কোন দল এই একই লজ্জার রেকর্ড গড়েছে।
আইপিএলে এক লজ্জার রেকর্ড গড়েছে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। ২০১৪ মরসুমে টানা ৯ ম্যাচ হেরেছিল দিল্লি। আবার পরব্রতী সিজনেও প্রথম ২টি ম্যাচ হেরেছিল দিল্লি। অর্থাৎ দুই সিজন মিলিয়ে মোট ১১টি ম্যাচ টানা হেরেছিল দিল্লি। এই একই লজ্জার রেকর্ডের অধিকারী আইপিএলের একসময়ে খেলা দল পুণে ওয়ারিয়র্সও। ২০১১-১৩, তিন সিজন খেলেছিল পুণে। কোনওবারেই বলার মতো পারফরম্যান্স করতে পারেনি তারা। তবে ২০১২-১৩, এই সুই সিজন মিলিয়ে পুণেও টানা ১১ ম্যাচ হেরে এক লজ্জার রেকর্ড গড়েছে।
২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আইপিএল সিজনে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্সও এক শোচনীয় সময়ের মুখোমুখি হয়েছিল। টানা ৯ ম্যাচ সেই সিজনে হেরেছিল কেকেআর। যা এখনও, সেই দলের পক্ষে এক লজ্জার রেকর্ড। রোহিত-সূর্যদের মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও ২০২২ সালে নিজেদের প্রথম ৮ ম্যাচ হেরে গিয়েছিল। ৫ বারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য এও এক লজ্জা। সেই বছর পয়েন্টস টেবিলে সবার শেষে শেষ করেছিল মুম্বই। ২০১৫ সালে টানা ৭ ম্যাচে নতিস্বীকার করতে হয়েছিল পাঞ্জাবকে (তৎকালীন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব)। আইপিএলে টানা ম্যাচ হেরেছে আরসিবিও। ২০১৯ সালে টানা ৬ ম্যাচ হেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ২০১৮ সিজনের শেষ ম্যাচ ধরলে এই সংখ্যাটা হয়ে দাঁড়ায় ৭ ম্যাচে। এটাই ইতিহাসে আরসিবির সবথেকে খারাপ পারফরম্যান্স বলে গণ্য হয়।
আইপিএলে এই টানা হারগুলিই প্রমান করে, বড় দলগুলির এই পারফরম্যান্স তাদের মানসিকতাতেও কতটা আঘাত হানে। বর্তমানে পাঞ্জাব কিংসের বাকি ২ ম্যাচ। সেই দুই ম্যাচের মধ্যে একটিতেও হারলে এই বছরের মতো শেষ চারের আশা নিভে যাবে পাঞ্জাব কিংসের। তবে ২০২৬ এ পাঞ্জাব কি এই অভিশপ্ত সময় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, সেদিকেই নজর থাকবে সমর্থকদের।