পালাবদল হতেই শহরের রাস্তায় বন্ধ ‘পুরসভার টোল’, নেপথ্যে কী কারণ?
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এর আগে বাঁকুড়ার সতীঘাট, লালবাজার, রাজগ্রাম এবং কাটজুড়িডাঙ্গায় রাস্তা আটকে পণ্যবাহী গাড়ির থেকে টাকা নেওয়া হতো। যে যে টোলের অফিস ছিল, সেগুলি বাঁকুড়া পুরসভার তরফে তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যে সরকার বদলে যেতেই রাতারাতি বন্ধ সেগুলি। এর ফলে বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছেন, এগুলি বেআইনি ছিল বলেই তাঁরা মনে করছেন। প্রশাসন কড়াকড়ি করাতেই ঝাঁপ বন্ধ করেছে অভিযুক্তরা। টোলের যে বুথগুলি ছিল, তার গায়ে বাঁকুড়া পুরসভার নাম লেখা রয়েছে।