‘অনুপ্রেরণা’ শব্দ বাদ, খারিজ ষাটোর্ধ্বদের চাকরিও - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘অনুপ্রেরণা’ শব্দ বাদ, খারিজ ষাটোর্ধ্বদের চাকরিও

Spread the love

এই সময়: সরকারি কোনও কর্মসূচিতে আর উচ্চারিত হবে না ‘অনুপ্রেরণা’ শব্দটি। এখন থেকে তা লেখাও হবে না। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরে সোমবার আমলা-অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেন, ‘মাথা উঁচু করে কাজ করুন। কোনও সমস্যা হলে সরাসরি বলবেন। ভয় পাবেন না। আলাদা করে অনুপ্রেরণার প্রয়োজন নেই। আমাকে খুশি করার জন্য কাজ করতে হবে না। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপন-হোর্ডিংয়ে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’— শব্দবন্ধও আর লিখতে হবে না।’

নতুন মুখ্যমন্ত্রী আমলাদের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘সকলে যেভাবে সরকারি কাজ করে, সে ভাবেই সরকারি কাজকে মান্যতা দিতে হবে। যেখানে কাজ করার প্রয়োজন, সেখানে খরচ করুন, তবে অপ্রয়োজনীয় খরচ রুখতে হবে। রাজ্যে যে সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প এত দিন কার্যকর করা হয়নি, সেগুলি অবিলম্বে চালু করতে হবে। আগের সরকার এমন অনেক কাজ করেছে, যেগুলো হওয়া ঠিক হয়নি। তার প্রতিবাদ হওয়া উচিত ছিল।’

এদিকে, ষাটোর্ধ্ব আমলা, অফিসার এবং কর্মীদের ‘পুনর্বাসনে’ এ দিনই না করে দিল নবগঠিত সরকার। বিভিন্ন বোর্ড, সংস্থা ও পাবলিক সেক্টর ইউনিটের মনোনীত সদস্য, ডিরেক্টর ও চেয়ারপার্সনদের মেয়াদও সরকারি নির্দেশের ফলে সোমবার শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরে সোমবার স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর এই মর্মে নির্দেশ জারি করেছে। এর ফলে বিভিন্ন সংস্থার মাথায় বসানো আগের সরকারের পছন্দের ব্যক্তিরা কর্মহীন হয়ে পড়লেন।

অবসরের পরে বিভিন্ন দপ্তরে ৯০০-র বেশি উপদেষ্টা ও ওএসডিকে পুনর্নিয়োগ করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এদের মধ্যে অনেককে একাধিক দপ্তরের কমিশনার পদেও বসানো হয়েছিল। তাঁদের কাউকেই আর দায়িত্বে রাখা হচ্ছে না। এই সদস্য, অধিকর্তা বা চেয়ারপার্সনরা মোটা টাকা বেতন পেতেন। পাশাপাশি তাঁদের যাতায়াতের জন্য সরকারি গাড়িও বরাদ্দ থাকত। তাঁরা নিরাপত্তারক্ষীও পেতেন। সরকারে এই সিদ্ধান্তের ফলে কোষাগারের অনেক টাকা সাশ্রয়ও হলো।

নবান্ন সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে জেলাশাসকরাও উপস্থিত ছিলেন। শুভেন্দু তাঁদের বলেন, ‘উন্নয়নের কাজে বিরোধী বিধায়কদেরও যেন গুরুত্ব দেওয়া হয়।’ বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, স্থানীয় বিষয় নিয়ে তাঁরা বিবৃতি দিতে পারেন, কিন্তু সরকারের নীতিগত বিষয়ে বিধায়করা কথা বলবেন না।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *