শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে তিন রাউন্ড গুলি! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু
মধ্যমগ্রাম: উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে বুধবার রাতের এক দুঃসাহসিক গুলিকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে (Suvendu Adhikari)। প্রকাশ্য রাস্তায় বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে লক্ষ্য …
মধ্যমগ্রাম: উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে বুধবার রাতের এক দুঃসাহসিক গুলিকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে (Suvendu Adhikari)। প্রকাশ্য রাস্তায় বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে লক্ষ্য করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে রাতের দিকে, যখন এলাকায় স্বাভাবিক চলাচল ছিল। হঠাৎই বাইকে করে কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং দ্রুত এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। গুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আরও দেখুনঃ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে এক বছরের শুট অ্যাট সাইট অর্ডারের দাবি অর্জুনের
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে এবং দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ফরেন্সিক টিমও ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক নমুনা সংগ্রহ করেছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই হামলা পরিকল্পিত হতে পারে। ব্যক্তিগত শত্রুতা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি অন্য কোনও কারণ সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা ক্রমশ বাড়ছে এবং প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলার আগে রাজনৈতিক রং না দেওয়াই উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা আগে খুব একটা দেখা যায়নি। হঠাৎ করে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি চালানোর ঘটনায় তাঁরা আতঙ্কিত। অনেকেই নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা শুধু একটি অপরাধমূলক ঘটনা নয়, বরং এর প্রভাব রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশেও পড়তে পারে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।