Palash Muchhal Atrocity Case Sangli: পলাশ মুচ্ছলের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য মামলা! কী ঘটিয়েছেন স্মৃতির প্রাক্তন - Bengali News | Case Registered Against Music Composer Palash Muchhal Over Casteist Slurs and Fraud in Sangli. - 24 Ghanta Bangla News
Home

Palash Muchhal Atrocity Case Sangli: পলাশ মুচ্ছলের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য মামলা! কী ঘটিয়েছেন স্মৃতির প্রাক্তন – Bengali News | Case Registered Against Music Composer Palash Muchhal Over Casteist Slurs and Fraud in Sangli.

Spread the love

পলাশ মুচ্ছল (Palash Muchhal) এবং ভারতীয় ক্রিকেট তারকা স্মৃতি মান্ধানার ব্যক্তিগত জীবনের সমীকরণ যে এতটা তিক্ত মোড় নেবে, তা বোধহয় কারোর কল্পনাতেই আসে নি। বিয়ের সানাই বাজার বদলে, শেষমেশ সঙ্গীত পরিচালক পলাশের কপালে জুটল আইনি খাঁড়া। স্মৃতি মান্ধানার বাল্যবন্ধুর দায়ের করা অভিযোগে এখন রীতিমতো কোণঠাসা বলিউডের এই তরুণ শিল্পী। রীতিমতো জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

ঠিক কী ঘটেছে পলাশের সঙ্গে?

পলাশ মুচ্ছল ও স্মৃতি মান্ধানার বিয়ের গুঞ্জন গত বছর টিনসেল টাউন থেকে ক্রিকেট ময়দান— সব জায়গাতেই তুঙ্গে ছিল। শোনা গিয়েছিল, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসেই সাঙ্গিলিতে বসবে তাঁদের বিয়ের আসর। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই বিয়ে ভেঙে যায় এবং তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। সম্পর্ক ভাঙার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পলাশকে তাড়া করছে পুলিশি খাঁড়া।

কেন দায়ের হল মামলা?

ঘটনার সূত্রপাত বছরখানেক আগে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাঙ্গিলির শাস্ত্রীনগর এলাকার বাসিন্দা বিজ্ঞান প্রকাশ মানে (৩৪) পলাশ মুচ্ছলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিজ্ঞান প্রকাশ মানে স্মৃতি মান্ধানার অত্যন্ত কাছের বন্ধু। তাঁর দাবি, ২০২৫ সালে একটি ছবি নির্মাণের কথা বলে পলাশ তাঁর কাছ থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। বিজ্ঞান জানিয়েছেন, পলাশ তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে ছবিটি ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও কাজ এগোয়নি। বিজ্ঞান যখন তাঁর পাওনা টাকা ফেরত চান, তখনই শুরু হয় আসল বিবাদ। বিজ্ঞানের অভিযোগ, পলাশ তাঁকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং প্রতারণা করেন।

গত ২২ নভেম্বর ২০২৫ সালে সাঙ্গিলি-আষ্টা রোডের একটি টোল প্লাজার কাছে এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় বিজ্ঞান প্রকাশ মানেকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেন পলাশ। শুধুমাত্র টাকা দিতে অস্বীকার করাই নয়, বরং তাঁর জাতি ও পরিচয় নিয়ে চূড়ান্ত অপমানজনক মন্তব্য (Casteist Slurs) করেন বলে এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞানের দাবি, পলাশের সেই ভাষা এতটাই কদর্য ছিল যে তিনি ক্যামেরার সামনে তা উচ্চারণ করতে পারবেন না।

বর্তমান পরিস্থিতি কী?

জানুয়ারি মাসেই প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়েছিল, কিন্তু এবার ঘটনার মোড় পুরোপুরি ঘুরে গিয়েছে। সাঙ্গিলি শহর পুলিশ পলাশ মুচ্ছলের বিরুদ্ধে তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি আইন বা অ্যাট্রোসিটি অ্যাক্ট (Atrocity Act)-এর নির্দিষ্ট ৩(১) ধারায় মামলা নথিভুক্ত করেছে। সেই সঙ্গে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫১(২) এবং ৩৫২ ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। এই মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিনোদন জগতে। স্মৃতি মান্ধানার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর পলাশের জীবনে এই নতুন আইনি ঝড় তাঁকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *