মহাকাশে এআই প্রশিক্ষণ! ভারত পেতে চলেছে তার প্রথম অরবিটাল ডেটা সেন্টার - 24 Ghanta Bangla News
Home

মহাকাশে এআই প্রশিক্ষণ! ভারত পেতে চলেছে তার প্রথম অরবিটাল ডেটা সেন্টার

Spread the love

Orbital Data Center: ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণ মাটিতে নয়, মহাকাশে হবে। স্পেস টেক স্টার্টআপ পিক্সেল এবং এআই কোম্পানি সর্বম এআই যৌথভাবে ভারতের প্রথম অরবিটাল ডেটা সেন্টারের ঘোষণা করেছে। এটি হবে …

Orbital Data Center: ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণ মাটিতে নয়, মহাকাশে হবে। স্পেস টেক স্টার্টআপ পিক্সেল এবং এআই কোম্পানি সর্বম এআই যৌথভাবে ভারতের প্রথম অরবিটাল ডেটা সেন্টারের ঘোষণা করেছে। এটি হবে ‘দ্য পাথফাইন্ডার’ নামের ২০০ কিলোগ্রামের একটি স্যাটেলাইট, যা এই বছরের শেষের দিকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করা হবে। এটি শুধু একটি স্যাটেলাইটই হবে না, বরং শক্তিশালী জিপিইউ-সজ্জিত একটি উড়ন্ত ডেটা সেন্টার হবে।

এই ঐতিহাসিক অভিযানটি ভারতের আত্মনির্ভরশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে মহাকাশে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি সাহসী পদক্ষেপ হবে। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হবে।

পাথফাইন্ডার কী?
পাথফাইন্ডার একটি সাধারণ স্যাটেলাইট থেকে বেশ আলাদা হবে। এটিতে আধুনিক ভূমি-ভিত্তিক ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত একই শক্তিশালী জিপিইউ (GPU) থাকবে। এর ফলে এআই মডেলগুলোকে সরাসরি মহাকাশে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে। এর প্রধান কারণ হলো, ভূমি-ভিত্তিক ডেটা সেন্টারগুলোর উচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মহাকাশে থাকা প্রচুর সৌরশক্তি এই কক্ষপথীয় ডেটা সেন্টারটিকে বিদ্যুৎ ঘাটতি ছাড়াই নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে সক্ষম করবে।

ভারতের আত্মনির্ভরশীল এআই প্রযুক্তি

পিক্সেল এবং সর্বম এআই-এর এই অংশীদারিত্বের অধীনে পিক্সেল স্যাটেলাইটটির নকশা, নির্মাণ এবং উৎক্ষেপণ করবে। এটি তাদের গিগাপিক্সেল কারখানায় তৈরি করা হবে। সর্বম এআই মহাকাশে এর ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের প্রশিক্ষণ এবং ইনফারেন্সিংয়ের কাজটি পরিচালনা করবে।

এই মিশনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিকটি হলো, এটি সার্বভৌম এআই-এর দিকে একটি বড় পদক্ষেপ। এই অরবিটাল ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে, ভারতকে তার এআই মডেলগুলির জন্য আর কেবল বিদেশি ক্লাউড বা ভূমি-ভিত্তিক পরিকাঠামোর উপর নির্ভর করতে হবে না।

এই মিশনের দুর্বলতাগুলো কী কী?

যদিও এই মিশনটি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ, মহাকাশে একটি ডেটা সেন্টার তৈরি করা সহজ হবে না। প্রতিবেদন অনুসারে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এর জন্য রকেট উৎক্ষেপণের খরচ কম রাখতে হবে। এছাড়াও, সময়ের সাথে সাথে মহাকাশে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমন হার্ডওয়্যার মেরামত বা প্রতিস্থাপন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং ব্যয়বহুল হবে।

তবে, উল্লেখ্য যে বিশ্বজুড়ে এর জন্য প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ইলন মাস্কের স্পেসএক্স থেকে শুরু করে গুগল এবং মেটা পর্যন্ত, সবাই মহাকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। পিক্সেল এবং সর্বমের এই পদক্ষেপটি এই বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় ভারতকে একটি অগ্রণী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার একটি প্রচেষ্টা।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *