অবশেষে মাথায় চুল গজাতে চলেছে বিজেপি নেতা কৌস্তভের
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ডে এক আনন্দের খবর এসেছে ব্যারাকপুর থেকে। (Kaustav Bagchi)বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর থেকে এগিয়ে রয়েছেন। যাঁরা কৌস্তভকে …
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ডে এক আনন্দের খবর এসেছে ব্যারাকপুর থেকে। (Kaustav Bagchi)বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর থেকে এগিয়ে রয়েছেন। যাঁরা কৌস্তভকে দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, তাঁরা বলছেন অবশেষে এই লড়াকু নেতার মাথায় চুল গজাতে চলেছে। অর্থাৎ, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সাফল্যের স্বাদ পেতে চলেছেন তিনি। অন্যদিকে নির্বাচনের আগে থেকেই রাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছিল। ২০২১ র নির্বাচনে জেতার পর ব্যারাকপুরে কোনও উন্নয়ন হয়নি বলেই দাবি স্থানীয় মানুষের।
গণনার এখনও বেশ কয়েকটি রাউন্ড বাকি থাকায় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হলেও, প্রাথমিক লিড দেখে বিজেপি শিবিরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।ব্যারাকপুরের রাস্তায় রাস্তায় আজ সকাল থেকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা। অনেকেই ফোন হাতে খবরের আপডেট নিচ্ছেন, চায়ের দোকানে জটলা বেঁধে আলোচনা চলছে। কৌস্তভ বাগচী ব্যারাকপুরের মাটিতে পরিচিত মুখ। তিনি দলের হয়ে নিয়মিত এলাকায় ঘুরেছেন, মানুষের সমস্যা শুনেছেন।
আরও দেখুনঃ ৫ রাউন্ড শেষে ১৬ হাজার ভোটে লিড মমতার, পিছিয় পড়লেন শুভেন্দু
তাঁর এই এগিয়ে যাওয়া শুধু একটা আসনের লড়াই নয়, বরং দীর্ঘদিনের অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের ফল বলে মনে করছেন সমর্থকরা।রাজ্যের সামগ্রিক ছবির সঙ্গে ব্যারাকপুরের এই ট্রেন্ড মিলিয়ে দেখলে বিজেপির আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। ১৮৫-র বেশি আসনে এগিয়ে যাওয়া, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর বিপুল লিড, ভবানীপুরে শক্ত অবস্থান সব মিলিয়ে গেরুয়া হাওয়া যেন আরও জোরালো হয়ে উঠছে।
ব্যারাকপুরের মতো শিল্পাঞ্চলেও যদি বিজেপি জয়ী হয়, তাহলে তৃণমূলের জন্য আরও বড় ধাক্কা হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, চাকরি, শিল্পের পুনরুজ্জীবন, তোলাবাজি বন্ধ এসব ইস্যুতে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। কৌস্তভ বাগচী সেই অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছতে পেরেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এখনও আশা ছাড়েনি।
রাজ চক্রবর্তীর সমর্থকরা বলছেন, গণনার অনেক রাউন্ড বাকি। প্রথম কয়েক রাউন্ডের লিড দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না। দলের নেতারা জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত মানুষের রায় মেনে নেবেন। কিন্তু বাস্তবে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চাপা উদ্বেগ স্পষ্ট। ব্যারাকপুরের এক পুরনো বাসিন্দা বললেন, “এলাকায় অনেক পরিবর্তন চাই। নতুন মুখ, নতুন আশা। কৌস্তভদা যদি জিতে যান, তাহলে হয়তো কিছু বদল হবে।”