মেদিনীপুরে ভোটগণনার প্রস্তুতি, স্ট্রং রুমে কড়া নিরাপত্তা
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় (Medinipur) দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর এখন সবার নজর ৪ তারিখের ভোটগণনার দিকে। ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগে প্রশাসন ও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও …
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় (Medinipur) দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর এখন সবার নজর ৪ তারিখের ভোটগণনার দিকে। ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগে প্রশাসন ও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন গণনা কেন্দ্র ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, (Medinipur) পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোট ১৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনার জন্য চারটি পৃথক গণনা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। মেদিনীপুর শহরে দুটি গণনা কেন্দ্র, খড়গপুর শহরে একটি এবং ঘাটাল মহকুমায় একটি গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রেই নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে ভোটগণনা প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। মেদিনীপুর শহরের দুটি গণনা কেন্দ্রের মধ্যে একটি হল মেদিনীপুর কলেজ এবং অন্যটি মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল। মেদিনীপুর কলেজে গণনা হবে মেদিনীপুর, শালবনী, গড়বেতা এবং ডেবরা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট। অন্যদিকে কলেজিয়েট স্কুলে গণনা হবে কেশপুর, দাঁতন এবং নারায়ণগড় বিধানসভার ভোট।
খড়গপুর শহরের খড়গপুর (Medinipur) কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে গণনা হবে খড়গপুর সদর, খড়গপুর গ্রামীণ, সবং, পিংলা এবং কেশিয়াড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট। অপরদিকে ঘাটাল মহকুমার ঘাটাল কলেজে গণনা হবে ঘাটাল, চন্দ্রকোনা এবং দাসপুর বিধানসভার ভোট। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম জারি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকেই গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি কেন্দ্রের ভিতরে এবং বাইরে সর্বত্রই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে একাধিক স্তরের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ভোটগণনার আগে প্রতিটি গণনা কেন্দ্রের ভিতর ও বাইরে পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা পরিদর্শন চালাচ্ছেন। কোথাও কোনও নিরাপত্তা ঘাটতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটগণনার দিন কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।