Wriddhiman Saha: ঈশান-শ্রেয়স ইস্যুতে মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান সাহা, কী বলছেন? – Bengali News | Wriddhiman Saha says nothing can be done ”forcefully” after Shreyas Iyer, Ishan Kishan snub
ঈশান কিষাণ-শ্রেয়স আইয়ার ইস্যুতে এ বার মুখ খুললেন দেশের অন্যতম সেরা কিপার ঋদ্ধিমান সাহা। বয়সের কারণে টেস্ট দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন ঋদ্ধিমান সাহা। ত্রিপুরার মেন্টর এবং অধিনায়ক তিনি। তরুণ প্রজন্মের অনেক ক্রিকেটারই লাল-বলের ক্রিকেটে খেলতে চান না। যা নিয়ে চিন্তায় বোর্ড। শ্রেয়স আইয়ার এবং ঈশান কিষাণকে নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত বোর্ডের। কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন দু-জনেই। কী বলছেন ঋদ্ধিমান সাহা? বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে স্কোয়াড থেকে সরে দাঁড়ান ঈশান কিষাণ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজের আগেই বোর্ড তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে ফিরতে। রঞ্জি ট্রফিতে একটি ম্যাচও খেলেননি ঈশান। তেমনই ফিট থাকা সত্ত্বেও মুম্বইয়ের হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নামেননি শ্রেয়স আইয়ার। এই দু-জনকে চুক্তির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নতুন প্রজন্মকে যেন একটা বার্তা দেওয়া হল। রাঁচি টেস্ট জিতে অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেছিলেন, যাঁদের খিদে নেই তাঁদের খেলানো হবে না। নাম না করলেও ঈশানদেরই যে বার্তা দেওয়া হয়েছিল, বলাই যায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার রাস্তা বন্ধ জেনেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে চলেছেন ঋদ্ধিমান সাহার মতো অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারই। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের গ্ল্যামারে হারিয়ে যাননি। বিশ্ব ক্রিকেটে কিপার ঋদ্ধি আলাদাই জায়গা তৈরি করে গিয়েছেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও তাঁর কিপিং মুগ্ধ করার মতোই। ঈশান-শ্রেয়সদের মানসিকতা প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এক সাক্ষাৎকারে ঋদ্ধি বলেন, ‘যা হয়েছে সেটা পুরোটাই বোর্ড এবং প্লেয়ারদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। জোর করে কিছু করা যায় না।’
কোনও ক্রিকেটার সুযোগ পেলে, সেটা যে দু-হাতে লুফে নেওয়া উচিত, সেটাই মনে করেন অভিজ্ঞ এই কিপার ব্যাটার। নিজের উদাহরণ টেনেই ঋদ্ধি বলেন, ‘আমি ফিট থাকলে খেলা চালিয়ে যাই। এমনকি ক্লাব ক্রিকেট, অফিস লিগের ম্যাচও খেলি। আমার কাছে প্রত্যেকটা ম্যাচই সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি প্লেয়ার যদি এই বিষয়টি মাথায় রেখে চলতে পারে, শুধু তাদের কেরিয়ার উন্নতি হবে তা নয়, ভারতীয় ক্রিকেটেরও উন্নতি হবে। ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব বরাবরই ছিল। আমরা সরফরাজকে নিয়ে এত কথা বলছি ঘরোয়া ক্রিকেটের কারণেই।’