শাখাওয়াতে পাহারায় মমতা, উত্তেজনা ক্ষুদিরাম অনুশীলনে, ভোট-পর্ব মিটতেই নতুন যুদ্ধ স্ট্রং-রুম ঘিরে
রাতে এই টানাপড়েনের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলনেত্রী লেখেন, ‘২৯৪টি কেন্দ্রের প্রার্থীদের বলব, বৃহস্পতিবার থেকে স্ট্রং–রুম পাহারা দিন। দিনের বেলায় কর্মীদের (স্ট্রং–রুমে) রাখুন, রাতের বেলায় নিজেরা থাকুন। আমি যদি পাহারা দিতে পারি, আপনারাও পাহারা দেবেন। আপনারা রাত জাগুন, সকালে অন্য টিমকে দায়িত্ব দিয়ে তারপরে ঘুমোতে যাবেন।’ নির্বাচনী প্রচার চলার সময়েও মমতা ইভিএমে নজরদারি নিয়ে দলের নেতা–কর্মীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তৃণমূলনেত্রীর আশঙ্কা, ‘স্ট্রং-রুম থেকে কাউন্টিংয়ের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার সময়ে ওরা ইভিএম পাল্টে দেওয়ার প্ল্যান করেছে। সবাইকে নজর রাখতে হবে, কেউ অবহেলা করবেন না। যোগ্য লোককে কাউন্টিংয়ের দায়িত্ব দেবেন। আমি যতক্ষণ না প্রেস কনফারেন্স করে কিছু বলব, ততক্ষণ কেউ কাউন্টিং টেবিল ছাড়বেন না।’ গেরুয়া শিবির অবশ্য মনে করছে মমতা দলের নেতা–কর্মীদের মনোবল বাড়াতে এই ভোকাল টনিক দিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘উনি নিজের কর্মীদের গণনাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য বুস্ট–আপ করার চেষ্টা করেছেন। খোঁজ নিয়ে দেখুন, অনেক বুথে মক–পোল থেকে শুরু করে ভোটের সময়েও তৃণমূলের এজেন্ট ছিল না।’ কসবা বিধানসভার ইভিএম যে স্ট্রং–রুমে রয়েছে সেখানেও সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে এ দিন অভিযোগ করে জোড়াফুল শিবির। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, স্ট্রং–রুমে যে গাইডলাইন মেনে কাজ হওয়া উচিত, তা অনেক জায়গায় পালন করা হচ্ছে না, এই খবর পেয়ে দলনেত্রী এ দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন। মমতা বলেন, ‘টেবিলে কাউন্টিংয়ের পরে কম্পিউটারে আপলোড করার সময়ে ওরা (সংখ্যা) চেঞ্জ করে দেয়। সে দিকেও নজর দিন। আমি নিজে কাউন্টিং সেন্টারে প্রার্থী হিসেবে হানা দেবো।’ মমতার এই নির্দেশের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্ব সংগঠনের নেতাদের নিয়ে আজ, শুক্রবার ভার্চুয়াল বৈঠক করতে পারে।