বিজ্ঞানের জগতে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত জে. ক্রেগ ভেন্টার। Ei Samay
হাইস্কুলে পড়ার সময় থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর ছিল অমোঘ টান। জীববিজ্ঞানের জটিল রহস্যের ধাঁধা খুঁজতেই তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার কমিউনিটি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ফিজ়িওলজির ছাত্র হিসাবে। ১৯৭২ সালে বিএস ডিগ্রি অর্জনের পর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাকোলজিতে (Pharmacology) পিএচডি করেন।
কিন্তু দুনিয়া তাঁকে মনে রেখেছে হিউম্যান জিনোম সিকোয়েন্সে (Human Genome Sequencing) তাঁর যুগান্তকারী কাজের জন্য। আমাদের শরীর প্রতিনিয়ত যে ছন্দে চলে, তার প্রধান ভিতই হলো জিন। জিনের এই DNA শরীরের প্রতিটি কাজকে যেমন নিয়ন্ত্রণ করে এবং তেমনই এটি মানব সভ্যতার ধারক ও বাহকও। সেই নিয়েই বিজ্ঞানী জে. ক্রেগ ভেন্টার আমৃত্যু কাজ করে গিয়েছেন। আবিষ্কার করেছেন মানব জিনোমের নিত্যনতুন রহস্যকে। তাঁর কাজগুলির মধ্যে অন্যতম হলো গবেষণাগারে কৃত্রিম ভাবে তৈরি সিন্থেটিক ডিএনএর মাধ্যমে প্রথম কোষের বংশবৃদ্ধি করা। যা বিভিন্ন ধরনের রোগ নির্ণয়, স্টেম সেল থেরাপি থেকে শুরু করে অটোইমিউন রোগ নিরাময়েও কাজে লাগে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত J. Craig Venter Institute জেনেটিক্স বিজ্ঞানের দুনিয়ায় ব্যাপক সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক জেনেটিক রিসার্চ, বায়োটেকনোলজি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে তাঁর অসামান্য ভূমিকা সারা বিশ্বে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।