High Court: ৮০০ জনকে গ্রেফতার করা হলে বলে মামলা তৃণমূলের, স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের – Bengali News | High court stay order in case filed by TMC claiming 800 leaders will be arrested
তৃণমূলের মামলায় স্থগিতাদেশImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: ‘গ্রেফতারির লিস্ট পেয়ে গিয়েছি।’ মঞ্চে দাঁড়িয়ে এ কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, ততক্ষণে মামলা দায়ের হয়ে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। দলের ৮০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এই আশঙ্কায় হাইকোর্টে মামলা করেন দানিশ শেখ। সেই মামলায় আজ, বুধবার স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
কমিশন যদি গ্রেফতারি সংক্রান্ত কোনও তালিকা তৈরি করে থাকে, তাহলে তার উপর স্থগিতাদেশ জারি করল আদালত। যদি কোনও অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে এই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ কর্তৃপক্ষকে তাদের নিজস্ব স্বাধীন বিবেচনা অনুযায়ী আইন মোতাবেক পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে কোনও তৈরি করবে না বলেও নির্দেশে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠলে, তাঁকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকবে না।
জনস্বার্থ মামলাকারীর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আদালতে জানান, ট্রাবল মেকারদের তালিকা তৈরি করে Preventive Action-এর কথা বলা হয়েছে, এরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের। তিনি বলেন, “আমি যখন মামলা করি সেই সময় যে তালিকা আমি দিয়েছিলাম, তার মধ্যে অনেকে বিজেপিতে যোগদান করেছে, ফলে তাদের নাম গতকালের তালিকায় নেই।” কল্যাণ দাবি করেন, কমিশন কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না, সেই ক্ষমতা পুলিশের আছে। কিন্তু এভাবে সার্বিকভাবে একটা নির্দেশিকা জারি করা যায় না।
অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, “Trouble Maker বলে কোনও শব্দ আইনে নেই। তাই কমিশন এভাবে কাউকে দাগিয়ে দিতে পারে না।” কীভাবে কমিশন এমন নির্দেশ জারি করতে পারে, প্রশ্ন তোলে রাজ্য।
কালিয়াচকের ঘটনার কথাও এদিন উল্লেখ করেন কমিশনের আইনজীবী। কমিশনের সওয়াল, “আমাদের খুব খারাপ অভিজ্ঞতা আছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, ঘেরাও করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার জন্য আমাদের সুপ্রিম কোর্টের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করতে হয়েছে। অপরাধমূলক কাজের জন্য কাউকে গ্রেফতার করা হলে তার কাছে তো আইনি সংস্থান আছে। তিনি জামিনের আবেদন করতেই পারেন। আমরা হলফনামা দাখিল করতে চাই।” শুনানির পর সব পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত স্থগিতাদেশ দিয়েছে।