Minor girl physically assaulted: হালিশহরে গৃহশিক্ষিকার বাড়িতে ১০ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার কিশোর - Bengali News | 10 Year Old Girl allegedly physically assaulted at Tuition Teacher’s Home in Halisahar - 24 Ghanta Bangla News
Home

Minor girl physically assaulted: হালিশহরে গৃহশিক্ষিকার বাড়িতে ১০ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার কিশোর – Bengali News | 10 Year Old Girl allegedly physically assaulted at Tuition Teacher’s Home in Halisahar

Spread the love

হালিশহর ও কল্যাণী: গৃহশিক্ষিকার বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল। সেখানে ১০ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক কিশোরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরের। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে, খবর পেয়ে নির্যাতিতাকে দেখতে গিয়ে তার অবস্থার অবনতির কারণে চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস। নাবালিকাকে ভর্তি করা হল কল্যাণী এইমসে।

হালিশহরের ওই নাবালিকা চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। তার পরিবারের বক্তব্য, শুক্রবার সন্ধেয় গৃহশিক্ষিকার বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল সে। রাতে বাড়ি ফিরে শরীরে কষ্টের কথা মাকে জানায় সে। তখন তার মা দেখে, নাবালিকার গোপনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তখনই নাবালিকাকে জিজ্ঞাসা করে বিষয়টি জানতে পারে তার বাবা-মা।

ঘটনাটি জানতে পারার পর রবিবার সকালে নাবালিকার বাড়িতে যান বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস। ওই ছাত্রীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিজেপি প্রার্থী তাকে সঙ্গে করে নদিয়ার কল্যাণীর এইমস হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। এদিন নাবালিকাকে হাসপাতালে ভর্তির পর তৃণমূলকে নিশানা করেন বিজেপি প্রার্থী। বলেন, “শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে। কিন্তু, এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর, পৌর চেয়ারম্যান এবং তৃণমূল বিধায়ক ওই নাবালিকার বাড়ি যাওয়ার সময় পেলেন না একবারও। তৃণমূল এই সব বিষয় সবসময় চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তিলোত্তমার মামলাতেও আমরা তা দেখেছি। আমরা কখনও বলিনি, তিলোত্তমাকাণ্ডে তৃণমূল জড়িত। কিন্তু, তৃণমূল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “নাবালিকার পরিবার কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন। গরিব পরিবার। আমারও দুই সন্তান রয়েছে। তাদের কথা ভেবেই এই পরিবারের পাশে রয়েছি।”

কী বলছে নাবালিকার পরিবার?

নাবালিকার বাবা বলেন, “শুক্রবার সন্ধেয় আমি মেয়েকে টিউশনে ছেড়ে এসেছিলাম। রাতে নিয়ে আসি। পরে আমার মেয়ে তার মাকে শরীর খারাপের কথা বলে। তখনই আমরা সব জানতে পারি।” অভিযুক্ত কিশোর গৃহশিক্ষিকার কাকার ছেলে বলে নির্যাতিতার বাবা জানান। বীজপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তারপরই গ্রেফতার করা হয়েছে কিশোরকে। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নাবালিকার বাবা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *